মাশরুম খাওয়ার নিয়ম - মাশরুমের ক্ষতিকর দিক
আমাদের দেশে মাশরুম ব্যাঙের ছাতা হিসেবে পরিচিত তাই অনেকেই এটা খেতে চান না। অথচ
মাশরুম অনেক পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধে ভরপুর। মাশরুমের উপকারিতা ও অপকারিতা
জেনে-পুষ্টিবিদগণ মাশরুম খাওয়ার বিষয়ে সবাইকে আগ্রহী করে তুলছেন। সুতরাং আমাদের
সকলের উচিত দৈনন্দিন জীবনের খাদ্য তালিকায় মাশরুম রাখা।
এখন পর্যন্ত প্রায় ১৪ প্রজাতির মাশরুম পাওয়া গেছে। এগুলোর মধ্যে কিছু মাশরুম
রয়েছে আমাদের মানব দেহের জন্য অনেক উপকারী ও কিছু ক্ষতিকর। যদি আমাদের এই
আর্টিকেলটি আপনি শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়েন তাহলে মাশরুম খাওয়ার নিয়ম -
মাশরুমের ক্ষতিকর দিক এগুলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
পেজ সূচিপত্রঃ মাশরুম খাওয়ার নিয়ম - মাশরুমের ক্ষতিকর দিক
ভূমিকা
অনেকেই জানেন না মাশরুম কি? কিভাবে খেতে হয়? আবার সেই মাশরুম খাওয়া ক্ষতিকর
কিনা সেই নিয়ম অনেকেই সংশয়ে থাকেন। যার কারণে মাশরুমের চাহিদা অনেক কম এবং সেই
ভাবে বাংলাদেশে এর জনপ্রিয়তা পায়নি। বাসা ছাদে বাদ দেয়ালে জন্ম গ্রহণ করে
সেগুলো খাওয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এবং বাণিজ্যিকভাবে যেগুলো চাষ করা
হয় সেগুলো খাওয়া আমাদের জন্য অনেক উপকারী।
আরো পড়ুনঃ পেঁয়াজের উপকারিতা ও অপকারিতা
তাই আজকের এই আর্টিকেলে আমি আলোচনা করতে চলেছি মাশরুম খাওয়ার নিয়ম - মাশরুমের
ক্ষতিকর দিক, মাশরুম খাওয়ার নিয়ম, মাশরুম খেলে কি হয়? মাশরুমের বীজ উৎপাদন,
মাশরুম চাষের উপায়, মাশরুমের ক্ষতিকর দিক, মাশরুমের অর্থনৈতিক গুরুত্ব ও
মাশরুমের প্রকারভেদ জেনে নিন ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।
মাশরুম খাওয়ার নিয়ম - মাশরুমের ক্ষতিকর দিক
মাশরুম খাওয়ার নিয়ম - মাশরুমের ক্ষতিকর দিক সঠিকভাবে জেনেই মাশরুম খাওয়া উচিত।
তা না হলে মাশরুম আপনার উপকারের থেকে উপকারী বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাস্তব
আমাদের শরীরের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলে। এছাড়াও মাশরুম
বিভিন্ন রোগের প্রতিশোধক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। মাশরুম আমাদের শরীরের ওজন,
ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ধারণ কার্যকারী ভূমিকা রাখে।
মাশরুম কখনো কাঁচা বা অল্প সিদ্ধ অবস্থায় খাওয়া উচিত না। এতে করে আপনার
এলার্জিক রিঅ্যাকশন ও হজমের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। মাশরুম খাওয়ার নিয়ম -
মাশরুমের ক্ষতিকর দিক গুলো মেনে মাশরুম খেলে এর ক্ষতিকর দিকগুলো থেকে রক্ষা
পাওয়া যায় এবং উপকারিতা পাওয়া যায়। বর্তমান বাংলাদেশ প্রেক্ষাপটে মাশরুমের
চাহিদা ব্যাপক। অনেকেই বাণিজ্যিকভাবে বাসা বাড়ি থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্থানে
চাষ করা শুরু করেছে। যা আমাদের অর্থনীতিতেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
মাশরুম খাওয়ার নিয়ম
মাশরুম খাওয়ার নিয়ম - মাশরুমের ক্ষতিকর দিক গুলো ভালো হবে জেনে মাশরুম খাওয়া
উচিত। কেননা কাঁচা বা অল্প সিদ্ধ অবস্থায় মাশরুম খেলে উপকারের থেকে উপকারই বেশি
হয়। এতে করে এলার্জি ও হজমের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। ব্যাঙের ছাতা হিসেবে
মাশরুম আমাদের দেশে অনেকের কাছে পরিচিত। দেখা যাচ্ছে অনেকেই এই খাবারটি এখনও
গ্রহণ করেনি।
আরো পড়ুনঃ খুশকি দূর করার ঘরোয়া উপায়
শহরের মানুষের মধ্যে মাশরুম খাওয়ার প্রবণতা থাকলেও সেটি খুব একটা বেশি দেখা যায়
না। মাশরুম সালাদ হিসেবে বেশ জনপ্রিয় একটা খাবার। এছাড়াও মাশরুম স্যুপ, ক্রিম
মাশরুপ স্যুপ অত্যন্ত জনপ্রিয়। বিভিন্ন সবজির সাথেও মাশরুম পাওয়া যেতে পারে।
নুডুলসের সাথে মাশরুম খেতে পারেন, অনেকেই ফ্রাই করেও খায়। এছাড়াও অনেক সময়
দেখা যায় মাশরুম স্যুপে আস্ত ব্যবহার না করে পাউডার আকারে মিশেও খাওয়া যেতে
পারে।
মাশরুম খেলে কি হয়
মাশরুম খাওয়ার নিয়ম - মাশরুমের ক্ষতিকর দিক গুলো জানার পাশাপাশি মাশরুম খেলে কি
হয় জেনে রাখা আপনার জন্য ভালো। মাশরুম অত্যন্ত পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ। এতে বিভিন্ন
ধরনের উপকারিতা ও উপকারিতা রয়েছে। তাহলে চলুন তাই আর দেরি না করে জেনে নেই
মাশরুম খেলে কি হয়?
- মাশরুম ওজন কমাতে দারুন কার্যকারী।
- ডায়াবেটিস কমাতে মাশরুম সহায়তা করে।
- পেশি বাড়াতে যারা বিভিন্ন ধরনের প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খেয়ে থাকেন, তাদের জন্য মাশরুম হতে পারে সেরা উৎস।
- মাশরুমে পেনিসিলিন থাকে, যা এক রকম অ্যান্টিবায়োটিক যেটা মানব দেহের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
- ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে মাশরুম সহায়ক ভূমিকা রাখে।
- কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।
- হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে মাশরুম অনেক কার্যকারী।
- শিশুদের হাড় ও দাঁত ভালো রাখতে মাশরুম অনেক সহায়ক।
- মাশরুমে থাকা পুষ্টি উপাদান ক্যান্সার ও টিউমার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
- মাশরুম শরীরের বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।
- অ্যানিমিয়া দূর করতে মাশরুম অনেক কার্যকরী। তাই সপ্তাহের দুই থেকে তিন দিন মাশরুম আপনার খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন।
মাশরুমের বীজ উৎপাদন
বর্তমান বাংলাদেশে মাশরুম একটি লাভজনক ও জনপ্রিয় কৃষি কার্যক্রম হিসেবে পরিচিত
লাভ করেছে। যতদিন যাচ্ছে এর চাহিদা ততই বেড়ে চলেছে। মাশরুমের বীজ উৎপাদন এর জন্য
সঠিক পরিবেশের প্রয়োজন। একটি জীবাণুমুক্ত স্থান যেখানে তাপমাত্রা ও আদ্রতা
নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। মাশরুমের বীজ তৈরি করার জন্য সাধারণত ২০-২৫ ডিগ্রি
সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং ৬০-৭০% আর্দ্রতা রাখা প্রয়োজন।
এছাড়াও মাশরুমের বীজ আপনি বিভিন্ন অনলাইন ও স্থানীয় বাজার থেকে ক্রয় করতে
পারেন। ঢাকার কাওরান বাজার, রাজশাহীর সাহেব বাজার এবং চট্টগ্রামের রেলওয়ে বাজার
এইসব জায়গায় মাশরুম বীজের প্রচুর বিক্রয় কেন্দ্র রয়েছে। আপনি চাইলে সেই সব
জায়গা থেকেও সংগ্রহ করতে পারেন। আপনি যদি একজন সফল মাশরুম চাষি হতে চান তবে
বিশ্বস্ত স্থান থেকে সংগ্রহ করা আপনার জন্য অত্যন্ত জরুরী।
আরো পড়ুনঃ চুল পড়া বন্ধ হওয়ার ঘরোয়া উপায়
বিভিন্ন সরকারি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যেমনঃ বাংলাদেশ কৃষি
গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARC) এবং বাংলাদেশ মাশরুম ইনস্টিটিউট (BARI) থেকে উচ্চমানের
মাশরুম বীজ সংগ্রহ করা যেতে পারে। এইসব প্রতিষ্ঠানগুলো বীজের গুণগত মানে
নিশ্চয়তা দেয় এবং প্রয়োজনে প্রশিক্ষণও প্রদান করে থাকে।
মাশরুম চাষের উপায়
মাশরুম ব্যাঙের ছাতার মতো দেখতে এক ধরনের ছত্রাক জাতীয় গাছ। তবে মাশরুম ও
ব্যাঙের ছাতা দেখতে একই রকম হলে এর মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। যেগুলো
প্রাকৃতিকভাবে যেখানে সেখানে জন্মায় সেগুলো অনেক বিষাক্ত এবং যেগুলো বিভিন্ন
উপায় ও পদ্ধতি অবলম্বন করে চাষ করা হয় সেগুলো মানব দেহের জন্য অনেক উপকারী।
বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে মাশরুম চাষ করা হয় এবং মাশরুম চাষের
প্রশিক্ষণ পর্যন্ত দেওয়া হয়। তাই মাশরুম খাওয়ার নিয়ম - মাশরুমের ক্ষতিকর দিক
গুলো জানার পাশাপাশি মাশরুম চাষের উপায় গুলো জানলে আপনি খুব সহজেই আপনার বাসায়
চাষ করতে পারেন। তাহলে চলুন তাই আর দেরি না করে জেনে নেই মাশরুম চাষের উপায়। ঘরে
বসে মাশরুম চাষ খুবই সহজ লাভজনক।
যারা ঘরে বসে বেকার সময় পার করছেন তাদের জন্য মাশরুম চাষ হতে পারে লাভজনক একটা
ব্যবসা। মাশরুম হাই প্রোটিন যুক্ত ও হজম তাড়াতাড়ি হয়। মাশরুমের প্রচুর পরিমাণে
ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ রয়েছে। বিশ্বজুড়ে মাশরুমের নানা জাতের চাষ হচ্ছে। মাশরুম
চাষের জন্য প্রথমত আপনাকে নিতে হবে স্পন বা মাশরুমের বীজ, খড় ও পলিথিনের ব্যাগ।
মাশরুম চাষের জন্য প্রথমে আজ থেকে এক ইঞ্চি মাপের খড় কেটে নিবেন। এরপর খড়গুলোকে
বিশ মিনিট গরম পানিতে অথবা ব্লিচিং পাউডার দিয়ে জীবাণুমুক্ত করে নিবেন। এমন ভাবে
পানি বের করে নেবেন যাতে ঘরে টোটালি কোন পানি না থাকে এবং ঘরের গায়ে হালকা ভেজা
ভেজা ভাব থাকে। এরপর একটি পলিথিন ব্যাগের ২ ইঞ্চি পুরো করে খড় তার উপরে বিছিয়ে
তার ওপর বীজ ছড়িয়ে দিতে হবে।
বীজের উপর আবার খড় খড়ের উপর বীজ এভাবে প্রায় সাত থেকে আটটা স্তর পর্যন্ত দিন।
এরপর পলিব্যাগের মুখটা কয়েকটা প্যাঁচ দিয়ে বন্ধ করে দিন। এরপর প্যাকেটের গায়ে
৮ থেকে ১০ টি ছোট ছোট ছিদ্র করে দিন যাতে হাওয়া খুব সহজেই চলাচল করতে পারে।
তারপর প্যাকেটটি ৮ থেকে ১০ দিন কোন অন্ধকার জায়গায় রেখে দিন।
তবে খেয়াল রাখবেন যেন জায়গাটি অন্ধকার হলেও হাওয়া চলাচল করে। তবে খেয়াল
রাখবেন যেন জায়গাটি পোকামাকড় মুক্ত থাকে। কয়েক দিনের মধ্যেই দেখবেন প্যাকেটের
গায়ে সাদা আস্তরণ দেখা দিবে যাকে মাইসেলিয়াম বলে। এর কয়েকদিন পরেই দেখবেন
ব্যাগটি মাই লিসিয়ামে ভরে গেলে তুলো সরিয়ে ফেলে আরো কয়েকটি ছিদ্র করে ব্যাগ
টিকে সামান্য আলোর মধ্যে রাখতে হবে। সাধারণত ২৫ থেকে ৩০ দিনের মধ্যেই মাশরুম
খাওয়ার উপযোগী হয়ে যায় এবং একটি ব্যাগ থেকে পরপর তিনবার ফল পাওয়া যায়।
মাশরুমের ক্ষতিকর দিক
মাশরুমে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি গুণ সমৃদ্ধ উপাদান রয়েছে। কিন্তু মাশরুমের ক্ষতিকর
দিক সম্পর্কে আপনার কি কোন ধারণা আছে? আসলে আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে ব্যাঙের
ছাতা একটা প্রচলন আছে যেটাকে মানুষ মাশরুম বলে। যেগুলো আসলে অনেক বিষাক্ত।
এগুলো উপকারের থেকে উপকারী বেশি করে। এই মাশরুমে রয়েছে নানা ধরনের ক্ষতিকর
উপাদান ও উচ্চ স্তরের ভারী ধাতব ও অন্যান্য ক্ষতিকর রাসায়নিক। তাই এর ক্ষতি থেকে
বাঁচতে নির্ভরযোগ্য উৎস হতে অর্থাৎ বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয় এমন উৎস হতে মাশরুম
ক্রয় করে খাওয়া উচিত।
মাশরুমের অর্থনৈতিক গুরুত্ব
মাশরুম খাওয়ার নিয়ম - মাশরুমের ক্ষতিকর দিক গুলো জানার পাশাপাশি মাশরুমের
অর্থনৈতিক গুরুত্ব অবশ্যই জানা উচিত। বর্তমান সময়ের মাশরুম চাষ অধিক লাভজনক পেশা
ও একটি ব্যবসা। এতে পুঁজি কম প্রয়োজন এবং অতিরিক্ত কোন আবাদি জমির প্রয়োজন হয়
না। এটি খুব সহজেই আপনি আপনার যেকোনো একটা অন্ধকার ঘরে সামান্য কিছু উপকরণ দিয়ে
চাষ করতে পারেন।
মাশরুম চাষের মাধ্যমে বর্তমানে অনেকের বেকারত্ব দূর হচ্ছে। অনেকেই মাশরুম চাষ করে
জাতীয় অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। মাশরুম চাষ করে আমাদের দেশের
চাহিদা মিটিয়ে বাইরের দেশেও রপ্তানি করে প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন
করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অনেকেই বাণিজ্যিকভাবে ক্ষুদ্র পরিসর থেকে বড় পরিসরেও
মাশরুম চাষ করছে। মাশরুম চাষের অর্থনৈতিক গুরুত্ব অনেক।
মাশরুম চাষ শুধুমাত্র অর্থনৈতিক না এটি আমাদের মানব দেহের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
এটি বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করতে অনেক সহায়তা করছে। বাংলাদেশের মতো জনবহুল একটি
দেশে যেখানে চাষযোগ্য জমির পরিমাণ খুবই কম সেখানে আপনি খুব সহজে আপনার ঘরেই
মাশরুম চাষ করতে পারেন। সুতরাং আমরা বলতেই পারি মাশরুমের অর্থনৈতিক গুরুত্ব
আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে দারুন কার্যকরী।
মাশরুমের প্রকারভেদ জেনে নিন
বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকারের মাশরুম দেখা যায়। এদের মধ্যে কিছু
কিছু মাশরুম রয়েছে যেগুলো খাবার উপযোগী আর কিছু মাশরুম রয়েছে যেগুলো অনেক
বিষাক্ত। চলুন তাই আর দেরি না করে খাবার উপযোগী মাশরুমের প্রকারভেদ জেনে নিন।
- অয়েস্টার মাশরুম
- পোর্টোবেলো মাশরুম
- শিটাকে মাশরুম
- এনোকি মাশরুম
- বাটন মাশরুম
- ক্রেমিনি মাশরুম
- মৈতাক মাশরুম
- মোরেল মাশরুম
- লায়ন'স মেন মাশরুম
শেষ কথা
আশা করছি আমাদের এই আর্টিকেলটি পড়ার মাধ্যমে আপনি মাশরুম খাওয়ার নিয়ম -
মাশরুমের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে বিস্তারিত একটি ধারণা লাভ করতে পেরেছেন। যদি
আমাদের এই আর্টিকেলটি পড়ে বুঝতে কোথাও কোন সমস্যা হয় তাহলে আর্টিকেলটি পুনরায়
মনোযোগের সহিত পড়ুন।
আরো পড়ুনঃ বসন্ত কালে কি কি ফুল ফোটে
মাশরুম খাওয়ার নিয়ম - মাশরুমের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে কোন প্রশ্ন অথবা মতামত
থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট বক্সে জানাবেন। আমাদের এই আর্টিকেলটি পড়ার
মাধ্যমে যদি আপনি উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনি আপনার বন্ধুবান্ধব, কাছের
মানুষ ও পাড়া প্রতিবেশীদের সাথে শেয়ার করুন, ধন্যবাদ।
চাঁপাই আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url