নতুনদের জন্য ফাইভার রুলস ২০২৫

আপনি কি ফাইভার মার্কেটপ্লেস এ কাজ করার জন্য নতুনদের জন্য ফাইভার রুলস ২০২৫ ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন। অনেক খোঁজাখুঁজি করার পরেও সঠিক ফলাফল পান নি। তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটা শুধুমাত্র আপনার জন্যই। অনেকেই আছেন যারা ফাইভার মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে চাই কিন্তু এর নিয়ম কানুন না জানার কারণে নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।
নতুনদের জন্য ফাইভার রুলস ২০২৫
আপনি যদি ফাইভার মার্কেটপ্লেসে কাজ করে আপনার ক্যারিয়ার গড়তে চান তাহলে অবশ্যই নতুনদের জন্য ফাইভার রুলস ২০২৫ ইত্যাদি জেনে কাজ শুরু করতে হবে। আর এই সেক্টরে সফলতার প্রথম ও প্রধান চাবিকাঠি হচ্ছে প্রচুর পরিমাণে ধৈর্য এবং পরিশ্রম। এটি করতে পারলেই আপনি আপনার ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন।
পেজ সূচিপত্রঃ  নতুনদের জন্য ফাইভার রুলস ২০২৫

ভূমিকা

বর্তমান সময়ে জনসংখ্যা এর তুলনায় কর্মসংস্থানের অভাব হওয়ায় বেকার যুবকদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। অনেকেই অনার্স মাস্টার্স কমপ্লিট করে হতাশাগ্রস্থ অবস্থায় ঘুরছে। তাদের মধ্যে আবার অনেকেই রয়েছেন যারা নিজেদের কর্মসংস্থান তৈরি করার জন্য ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে আসছে। সুতরাং আজকের আর্টিকেলটি তাদের জন্য।
আপনি যদি আমাদের এই আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়েন তাহলে নতুনদের জন্য ফাইভার রুলস ২০২৫, নতুনরা কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবে, ফাইভারে কাজ করার সুবিধা, ফাইভারে কেমন কাজ পাওয়া যায়, ফাইভারে বেশি বেশি কাজ পাবেন যেভাবে, ফাইভারে সেলার একাউন্ট তৈরি করার নিয়ম, ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য কোন মার্কেটপ্লেস ভালো, ফাইভারের গিগ আকর্ষণীয় করার উপায় ও ফাইভারে বেতন কত ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

নতুনদের জন্য ফাইভার রুলস ২০২৫

নতুনদের জন্য ফাইভার রুলস ২০২৫ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই নতুন যারা ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে চাচ্ছেন তাদের অবশ্যই জানতে হবে। বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস এর জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় একটা মার্কেটপ্লেস হচ্ছে ফাইভার।

তবে ফাইভার কাজ করতে গেলে বেশ কিছু নিয়মকানুন রয়েছে যেগুলো জেনে নিতে হবে। তা না হলে অনেক সময় অ্যাকাউন্ট ব্লক অথবা বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। চলুন তাই আর দেরি না করে নতুনদের জন্য ফাইভার রুলস ২০২৫ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেয়।

  • ফাইভারে কাজ করতে হলে অবশ্যই আপনাকে প্রতিনিয়ত একটিভ থাকতে হবে। একটি প্রফেশনাল একাউন্ট তৈরি করতে হবে। নতুন অবস্থায় কাজ পেতে নিয়মিত একটিভ থাকতে হবে। তা না হলে কাজ পাওয়া সম্ভব না থাকে না।
  • ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। যেমনঃ ফোন নম্বর, ইমেইল ইত্যাদি শেয়ার করা যাবে না।
  • প্রোফাইল পিকচার ব্যবহার করার সময় অবশ্যই প্রফেশনাল মনের প্রোফাইল পিকচার ব্যবহার করতে হবে।
  • জনপ্রিয় যেসব সোশ্যাল মিডিয়া গুলো রয়েছে সেগুলোতে নিয়মিত একটিভ থাকতে হবে। এবং যারা এ বিষয়ে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন রয়েছে তাদের পরামর্শ নিতে হবে।
  • অযথা ফাইভার সাপোর্টে মেসেজ করা যাবে না। নতুন অবস্থায় সমস্যায় পড়লে সমাধানের জন্য মেসেজ দেওয়া হয়। নতুন অবস্থায় এক্ষেত্রে মেসেজ না দেওয়াই ভালো।
  • নতুনদের জন্য ফাইভার নিয়ম-কানুন এর মধ্যে অন্যতম হলো অটো রিফ্রেশ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
  • নতুন অবস্থায় ফাইভারে কাজ করার জন্য অবশ্যই ভিপিএন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
  • নতুনদের জন্য ফাইভার রুলস ২০২৫ যে সকল নিয়ম রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো দ্রুত মেসেজ এর রিপ্লাই দেওয়া। যদি কোন বায়ার মেসেজ দেই তাহলে যত দ্রুত সম্ভব বায়ারকে মেসেজের রিপ্লাই দিতে হবে। কেননা তা না হলে হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে।
  • নতুন অবস্থায় অন্যের গিগ কপি করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
  • নতুন অবস্থায় আপনি যদি আপনার স্কিল এর টেস্ট দিয়ে যদি সফল হতে পারেন তাহলে অবশ্যই আপনার প্রোফাইলের সাথে এক্সট্রা একটা ভ্যালু যোগ হবে।

নতুনরা কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবে

ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার আগে অবশ্যই নতুনদের জন্য ফাইভার রুলস ২০২৫ সম্পর্কে জানতে হবে। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং ট্রেন্ডিং এ পরিণত হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে তরুণ তরুণীরাই এই কাজের প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে। অনেকেই পড়াশোনা বা চাকুরীর পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করছে।

তাইতো নতুনরা কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবে এই নিয়ে মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য আপনার তেমন বিশেষ কোন কিছু প্রয়োজন হয় না। এর জন্য একটা ল্যাপটপ বা কম্পিউটার সেই সাথে ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই হয়। ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য আপনার পছন্দ অনুযায়ী যেকোন একটা কাজের উপর দক্ষতা অর্জন করতে হবে।

সেই দক্ষতা অনুযায়ী প্রথমত বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট করে এবং আপনার দক্ষতা অনুযায়ী কাজ খুঁজে কাজ শুরু করতে হবে। এছাড়াও ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য আপনার নিজের কাজের নলেজ, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও অনলাইন প্রচার বা মার্কেটিং থাকাটা অনেক জরুরী।

ফাইভারে কাজ করার সুবিধা

ফাইভারে কাজ করার সুবিধা অনেক গুলো রয়েছে। নতুনদের জন্য ফাইভার রুলস ২০২৫ জানাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কেননা নতুন যারা ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চাচ্ছেন তার খুব সহজেই ফাইবার মার্কেটপ্লেস থেকে কাজ পেতে পারেন। মার্কেটপ্লেস অ্যালগরিদম এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছে যেন নতুন ফ্রিল্যান্সারদের তৈরি করা কাজের গিগ গুলো সার্চ ফলাফলের উপরেই দেখায়।

যার ফলে ক্লাইন্ট খুব সহজেই তাদের কাজের গিগ গুলো দেখতে পাই এবং তাদের চাহিদা অনুযায়ী ফ্রিল্যান্সার হায়ার করে থাকেন। ফাইভার মার্কেটপ্লেসের আরো বড় একটা সুবিধা হচ্ছে, আপনি যতটুকু কাজ পারেন ঠিক ততটুকুই কাজের অর্ডার নিতে পারবেন। অর্থাৎগি আপনার মার্কেটপ্লেসে আপনার গিগ যত আকর্ষণীয় হবে কাজকর সম্ভাবনা ততই বেড়ে যাবে।
সুতরাং আপনার দক্ষতা অনুযায়ী গিগ এমনভাবে তৈরি করুন যেন বায়ার খুব সহজেই আকর্ষিত হয়। ফ্রিল্যান্সারদের দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য 'লেভেল ১' এবং 'লেবেল ২' অথবা টপ রেটেড সেলার ইত্যাদি লেভেল রয়েছে। যার ফলে ক্লাইন্ট খুব সহজেই ফ্রিল্যান্সারদের কাজের দক্ষতা সম্পর্কে আইডিয়া করে নিতে পারে।

ফাইভারে কেমন কাজ পাওয়া যায়

ফাইবারে কাজ পাওয়ার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টা সেটা হচ্ছে নতুনদের জন্য ফাইভার রুলস ২০২৫ যেগুলো না জানলে আপনি কখনোই ফাইবারে কাজ করতে পারবেন না। ফাইভার হচ্ছে একটি জনপ্রিয় অনলাইন ইন্টারন্যাশনাল মার্কেট প্লেস। এটি এমন একটি মার্কেটপ্লেস যেখানে আপনি সব ধরনের সার্ভিস প্রদান করতে পারবেন। এছাড়াও নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য এটি অনেক সম্ভাবনাময়ী একটি মার্কেটপ্লেস।

তাই চলুন আর দেরি না করে জেনে নেই ফাইভারে কেমন কাজ পাওয়া যায়। যেমনঃ ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, আর্টিকেল রাইটিং, ভিডিও এডিটিং, অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট এবং এফিলিয়েট মার্কেটিং ইত্যাদি কাজ করেও আপনি বেশ ভালো একটা টাকা আয় করতে পারবেন।

ফাইভারে বেশি বেশি কাজ পাবেন যেভাবে

নতুনদের জন্য ফাইভার রুলস ২০২৫ জানার পাশাপাশি ফাইভারে বেশি বেশি কাজ পাবেন যেভাবে সেগুলো জানাও অত্যন্ত জরুরী। তাই চলুন জেনে নেয় ফাইভারে বেশি বেশি কাজ পাবেন যেভাবে।

  • প্রথমত আপনার কাজের দক্ষতা অনুযায়ী গিগ তৈরি করতে হবে এবং গিগ এমন ভাবে তৈরি করতে হবে যেন বায়ার দেখে খুব সহজেই আকর্ষিত হয়।
  • অনলাইনে প্রচুর পরিমাণে একটিভ থাকতে হবে। বিশেষ করে রাত্রে বেলায় বেশি সময় একটিভ থাকার চেষ্টা করতে হবে। কেননা আমাদের দেশে যখন রাত বাইরের অন্যান্য দেশে তখন দিন।
  • গিগের ইমেজ, টাইটেল, ডেসক্রিপশন অপটিমাইজ থাকতে হবে।
  • প্রতিদিন মিনিমাম ১০ থেকে ১৫ টা অফার পাঠানোর চেষ্টা করতে হবে।
  • বায়ার নক দিলে সাথে সাথে রেসপন্স করতে হবে এবং কিভাবে কাজ করবেন তা বুঝিয়ে বলতে হবে। এছাড়াও বায়ার কি ধরনের কাজ দিচ্ছে সেগুলো ঠিকঠাকভাবে বুঝে বাইরের কাছ থেকে জেনে নিতে হবে।
  • এছাড়াও বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনার গিগ মার্কেটিং করতে পারেন এটি আপনার কাজ পেতে অনেক কার্যকরী হবে।
  • বিভিন্ন কাজের পোর্টফোলিও সব সময় রেডি রাখতে হবে। যেন বায়ার আপনার পূর্বের কাজের অভিজ্ঞতার কোন স্যাম্পল দেখতে চাইলে তার সাথে সাথে দেখা করতে পারেন।

ফাইভারে সেলার একাউন্ট তৈরি করার নিয়ম

বাংলাদেশের জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস গুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ফাইভার। প্রায় প্রতিদিনই বাংলাদেশ থেকে অনেকে ফাইভার মার্কেটপ্লেস এ একাউন্ট করছে। অনেকেই রয়েছেন সঠিক পদ্ধতিতে একাউন্ট না করার কারণে মার্কেটপ্লেসগুলোতে ভালোভাবে কাজ করতে পারেন না। তাই আপনাদের সুবিধার্থে আজকের এই আর্টিকেলে চলুন জেনে নেয় ফাইভারে সেলার একাউন্ট তৈরি করার নিয়ম।
প্রথমত আপনি আপনার ল্যাপটপ বা কম্পিউটার এর যেকোনো একটি ব্রাউজার ওপেন করে সেখানে (fiverr.com) লিখে প্রবেশ করতে হবে। এরপর ওয়েবসাইটের ডানদিকের ওপরে থাকা ‘Become a Seller’ বাটনে ক্লিক করে করতে হবে। এখানে আপনার ইমেইল, নাম এবং পাসওয়ার্ড দিতে হবে। এবার আপনার দেওয়া ইমেইলে তার একটা ভেরিফিকেশন কোড পাঠাবে সেটা দিয়ে আপনাকে ভেরিফাই করে দিতে হবে।

ভেরিফাই করা হলেই আপনি আপনার একাউন্টে প্রবেশ করতে পারবেন। একাউন্টের প্রবেশ করে সেটিংস অফসানে গিয়ে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রে থাকার নাম, ফোন নম্বর দেওয়ার পাশাপাশি বেশ কিছু সিকিউরিটি কোশ্চেন এর উত্তর দিতে হবে।

ব্যক্তিগত তথ্য

ফাইভারে অ্যাকাউন্ট করার পর আপনার নিজের একটি প্রফেশনাল প্রোফাইল ফটো, নিজের নাম, বিভাগ, এবং কাজের বিস্তারিত বর্ণনা ও ভাষা নির্বাচন করতে হবে। ভাষা নির্বাচনের সময় অবশ্যই ইংরেজি নির্বাচন করতে হবে এবং চাইলে আপনি ইংরেজি এর পাশাপাশি একাধিক ভাষাও নির্বাচন করতে পারেন।

জীবনী

ফাইভারে একাউন্ট খোলার পর জীবনীটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকরী একটা বিষয়। কেননা ক্লায়েন্ট আপনার প্রোফাইলে প্রবেশ করে আপনার সম্পর্কে কিছু জানতে এই অপশনটাতেই প্রথমে প্রবেশ করবে। এই জন্য এইখানে আপনার কাজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরার পাশাপাশি ক্লাইন্টরা কেন আপনাকে কাজ দেবে তার একটা বিবরণ সুন্দরভাবে গুছিয়ে লিখতে হবে। এরপর ইনফো বিভাগে আপনার পেশা নির্বাচন করতে হবে এবং আপনি এই পেশায় কত বছর কাজ করছেন তা উল্লেখ করতে হবে। সেই সাথে চার থেকে পাঁচটা দক্ষতা উল্লেখ করতে হবে।

শিক্ষা

শিক্ষা বিভাগে আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার বিস্তারিত উল্লেখ করতে হবে। এজন্য চাইলে আপনি শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ দিতে পারেন। এরপর কন্টিনিউ বাটনে চাপ দিলে লিংকড অ্যাকাউন্ট আসবে সেখানে আপনি আপনাদের ফেসবুক, টুইটার, লিংক দিন ও ইনস্টাগ্রাম একাউন্ট এড করতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য কোন মার্কেটপ্লেস ভালো

নতুনদের জন্য ফাইভার রুলস ২০২৫ সম্পর্কে বিস্তারিত জানলেন কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য কোন মার্কেটপ্লেস ভালো তা না জানলে কিভাবে আপনার দক্ষতা অনুযায়ী কাজ করবেন। তাই চলুন জেনে নেয় ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য কোন মার্কেটপ্লেস ভালো হবে।

  • upwork.com
  • fiver.com
  • freelancer.com
  • people per houe.com
  • guru.com
উপরের আলোচিত মার্কেটপ্লেস গুলো অনেক জনপ্রিয় এবং নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য খুব সহজেই কাজ পেতে অনেক কার্যকারী।

ফাইভারের গিগ আকর্ষণীয় করার উপায়

বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস হচ্ছে ফাইভার। যেখানে অনেক দেশি-বিদেশি লোকজন তাদের সার্ভিস প্রদান করে থাকে। যদি আপনি একজন নতুন ফ্রিল্যান্সার হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে গিগ এর বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে এবং আপনার যত আকর্ষণীয় হবে এবং বায়ার আপনার কাজের প্রতি তত আগ্রহ প্রকাশ করবে।
গিগকে আকর্ষণীয় করার জন্য যেসব বিষয় খেয়াল রাখতে হবে সেগুলো হলোঃ কম্পিউটার এনালাইসিস, ইউনিক এসইও, ইউনিক ডেসক্রিপশন, গিগের প্যাকেজ, গিগের জন্য ছবি অথবা থাম্বেল এবং গিগের জন্য ভিডিও ইউনিক হতে হবে। যেকোনো বায়ার টাইটেল পড়ার পরেই গিগের ছবি দেখে থাকেন।

যদি ছবি আর টাইটেল দেখিয়ে বায়ারকে আকর্ষিত করতে পারেন তাহলে আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনাটা সম্ভাবনাটা অনেক বেড়ে যায়। তাই আপনার দিকেক আকর্ষণীয় করতে উচ্চ রেজুলেশন এর ছবি অথবা আপনার প্রোফাইল এবং সম্ভব হলে একাধিক ছবি ব্যবহার করুন।

ফাইভারে বেতন কত

যদি আপনি একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনার দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ফাইভারে কাজ করতে পারেন তাহলে অবশ্যই আপনি আয় করতে পারবেন। যেহেতু ফাইভার একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস সেহেতু আপনি এবং আপনার ক্লায়েন্টের মধ্যে একটা সম্পর্ক স্থাপন হয়। তাই আপনি আপনার ক্লায়েন্টকে ঠিকঠাকমতো সার্ভিস প্রদান করলে সেই ক্লাইন্ট অবশ্যই আপনাকে পেমেন্ট করবে।

ফাইভারে বেতন কত নতুনদের মাঝ থেকেই এসব প্রশ্ন বেশি শোনা যায়। সুতরাং আজকের এই আর্টিকেলটা শুধুমাত্র তাদের জন্য। আসলে ফাইভারে কিভাবে কাজ করবেন সেটা সম্পূর্ণটাই নির্ভর করে আপনার উপর। ফাইভারে দুই ভাবে কাজ করা যায়। মাসিক ভিত্তিতে ও ঘন্টা ভিত্তিতে। ফাইভারে ফিক্সড বা নির্দিষ্ট কোন বেতন নেয়।

আপনি যেমন কাজ করবেন ঠিক তেমনি আয় করতে পারবেন। এছাড়াও আপনি আপনার দক্ষতা বাড়ার পাশাপাশি এখান থেকে প্রচুর পরিমাণে টাকা প্রচুর পরিমাণে আয় করা যায়।

শেষ কথা

আশা করছি আমাদের এই আর্টিকেলটি পড়ার মাধ্যমে আপনি নতুনদের জন্য ফাইভার রুলস ২০২৫ ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত একটা ধারণা লাভ করতে পেরেছেন। যদি আমাদের এই আর্টিকেলটি করে বুঝতে কোথাও কোন সমস্যা হয় তাহলে আর্টিকেলটি পুনরায় মনোযোগের সহিত পড়ুন।
এছাড়াও নতুনদের জন্য ফাইভার রুলস ২০২৫ সম্পর্কে কোন মতামত বা প্রশ্ন থাকে তাহলে অবশ্যই আমাকে কল করতে জানাবেন। যদি আমাদের এই আর্টিকেলটি করে আপনি উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনি আপনার বন্ধু বান্ধব, কাছের মানুষ ও পাড়া-প্রতিবেশী দের সাথে শেয়ার করুন, ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

চাঁপাই আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url