মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং শিখতে কত দিন লাগে

আপনি কি অনলাইনে আপনার ক্যারিয়ার গড়ার চিন্তা ভাবনা করছেন? আপনার বাসায় যদি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ না থাকে সেক্ষেত্রে শুরু করতে পারেন মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং। বর্তমান সময়ে ভিডিও এডিটিং কাজের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। একজন প্রফেশনাল মানের ভিডিও এডিটর মাসে প্রায় লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করে থাকে।
মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং শিখতে কত দিন লাগে
তাই আজকের এই আর্টিকেলে আলোচনা করেছি মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং শিখতে কত দিন লাগে সেই সম্পর্কে। এছাড়াও আরো আলোচনা করেছি ভিডিও এডিটিং কাজ এর ক্যারিয়ার ও ভবিষ্যৎ। তাই আপনি যদি ভিডিও এডিটিং করে আপনার কর্মসংস্থান তৈরি করতে চান তাহলে এখনই শুরু করতে পারেন।
পেজ সূচিপত্রঃ মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং শিখতে কত দিন লাগে

ভূমিকা

বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং এর চাহিদা প্রচুর রয়েছে। এর জন্য কিছু দক্ষতা অর্জন করা প্রয়োজন। আর আপনি সেই দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আয় করতে পারেন লক্ষ লক্ষ টাকা। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিংয়ে সবচেয়ে চাহিদা সম্পূর্ণ কাজ হলো ভিডিও এডিটিং। একজন প্রফেশনাল মানের ভিডিও এডিটর বিভিন্ন ধরনের মার্কেটপ্লেসে কাজ করে হাজার হাজার ডলার আয় করে থাকেন। এছাড়াও আপনি একটা youtube চ্যানেল ক্রিয়েট করে সেখানে ভালো মানের ভিডিও আপলোড করেও আয় করতে পারেন।
তাই আজকের এই আর্টিকেলে আলোচনা করতে চলেছি মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং শিখতে কত দিন লাগে, ভিডিও এডিটিং কি এবং ভিডিও এডিটিং কত প্রকার, মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং শিখতে কত দিন লাগে, মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং কোর্স, ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার, ভিডিও এডিটিং ক্যারিয়ার এবং ভবিষ্যৎ ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

ভিডিও এডিটিং কি এবং ভিডিও এডিটিং কত প্রকার

মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং শিখতে কত দিন লাগে এই বিষয়ে জানার আগে আপনাকে ভিডিও এডিটিং কি এবং ভিডিও এডিটিং এর প্রকারভেদ সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা থাকতে হবে। বর্তমান যুগে ভিডিও এডিটিং অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও চাহিদা সম্পন্ন একটা পেশা। সময়ের সাথে সাথে ভিডিও এডিটরদের চাহিদা বৃদ্ধি পেতে আছে।

তাই দেশে অভিজ্ঞ ও ক্রিয়েটিভ ভিডিও এডিটর না থাকায় বাইরের দেশের লোক ভাড়া করেও ভিডিও এডিটিং এর কাজের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এই আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করতে চলেছি ভিডিও এডিটিং কি এবং ভিডিও এডিটিং কত প্রকার।

ভিডিও এডিটিং কি

ভিডিও এডিটিং হল এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে আপনি একটি ভিডিও ফুটেজকে আপনার পছন্দমত এডিট করে একটি পরিপূর্ণ গল্প আকারে ফুটিয়ে তোলা। বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে যেকোনো ধরনের স্মৃতি ধারণ করে রাখার জন্য ভিডিও এডিটিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। আমরা যখন কোন ভিডিও ধারণ করে সেই ভিডিওগুলো অগোছালো ও এলোমেলো হয়ে থাকে।
একজন ভিডিও এডিটর সেই ফুটেজ গুলোকে একটি সাথে আরেকটি জোড়া লাগিয়ে এবং তাতে ভিডিও টাইটেল, গ্রাফিক্স, কালার কালেকশন, সাউন্ড মিক্সিং, ইফেক্ট সব ধরনের কাজ করে থাকে। এক কথায় আমরা ভিডিও এডিটিং বলতে বুঝি কোন ভিডিও এডিটর সফটওয়্যার দিয়ে মোবাইল বা ক্যামেরা দ্বারা ধারণ করা কোনো ফুটেজ সুন্দর করে সাজিয়ে দর্শকদের দেখার ব্যবস্থা করে দেওয়ার পদ্ধতিকে ভিডিও এডিটিং বলে।

ভিডিও এডিটিং কত প্রকার

ভিডিও এডিটিং কি এর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ভিডিও এডিটিং এর প্রকারভেদ। ভিডিও এডিটিং মূলত ৬ প্রকারের হয়ে থাকে। যেমনঃ
  • লিনিয়ার ভিডিও এডিটিং
  • নন-লিনিয়ার ভিডিও এডিটিং
  • অনলাইন ভিডিও এডিটিং
  • ভিডিও সম্পাদনা সন্নিবেশ করান
  • সরল কাটিং
  • বেসপোক ভিডিও এডিটিং

মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং শিখতে কত দিন লাগে

মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং শিখতে কত দিন লাগে এটা সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনার উপর।কেননা এখানে আপনি শেখার পেছনে কতটা সময় দিচ্ছেন বা কিভাবে শিখছেন। ভিডিও এডিটিং অনেকটা ধৈর্য ও পরিশ্রমের বিষয়। এখানে আপনি দক্ষ হতে হলে আপনাকে বেশ কিছু সময় হাতে নিয়েই আসতে হবে। মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং শিখতে কত দিন লাগে এটা আসলে অনেকেই জানতে চাই। 
বর্তমান সময়ে ভিডিও এডিটিং এর চাহিদা বেড়েই চলেছে। তাই অনেকেই এই পেশাই আসতে চাচ্ছে। মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং শিখতে ১ থেকে ২ মাসের মধ্যেই শিখতে পারবেন। তবে যদি আপনি ভিডিও এডিটিং করে আপনার কর্মসংস্থান বা ক্যারিয়ার গড়তে চান তবে সে ক্ষেত্রে ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের কোন বিকল্প নেই।

কেননা প্রফেশনাল ভাবে ভিডিও এডিটর হতে গেলে বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার এর ব্যবহার জানতে হয়। যেগুলো আপনি ফোন দিয়ে করতে পারবেন না।যদি আপনি একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ ভিডিও এডিটর হতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে ১ থেকে ২ বছর হাতে সময় নিতে হবে। আপনি এখানে যত অভিজ্ঞ হবেন আপনার তত ইনকাম বাড়তেই থাকবে।

এছাড়াও আপনি বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেসেও কাজ করে প্রচুর পরিমাণে আয় করতে পারবেন না।

মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং কোর্স

আপনি যদি একজন অভিজ্ঞ ও দক্ষ ভিডিও এডিটর হতে চান বা আপনি যদি আপনার ক্যারিয়ার গড়তে চান তবে মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং কোর্স আপনার জন্য নয়। একজন দক্ষ ভিডিও এডিটর হতে হলে কম্পিউটার বা ডেস্কটপ এর কোন বিকল্প নেই। অনেকেই ভিডিও এডিটিং বিষয়ে আগ্রহ থাকলেও কম্পিউটার বা ল্যাপটপের অভাবে করতে পারেন না।

তাই আজকে আমি এই আর্টিকেলে মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং কোর্স করতে পারবেন সেই সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। বর্তমান সময়ে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ এর পাশাপাশি অনেক মোবাইল লঞ্চ করা হয়েছে যেগুলো কম্পিউটারের মত প্রফেশনাল ভাবে কাজ করা সম্ভব। বিশেষ করে IPhone সিরিজের এবং Samsung S সিরিজের মোবাইল গুলো দিয়ে ভালো মানের ভিডিও শুট ও এডিটিং করা যায়।

তবে এই ফোনের দাম গুলো তুলনামূলক একটু বেশি হওয়ায় সবার জন্য ক্রয় করা সম্ভব হয় না। এছাড়াও ২০ থেকে ২৫ হাজারের মধ্যে oppo, vivo, Realme এই মোবাইলগুলোতে আপনি ভালো মানের ভিডিও এডিটিং করতে পারবেন।

ভিডিও এডিটিং এবং ক্রিয়েটিভিটি

আপনি একটা বিষয় লক্ষ্য করলে দেখবেন খুব ভালো মানের ভিডিও এডিটিং করে তাদের ভিডিওগুলোতে প্রফেশনাল বিষয়টি খুব সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয় একমাত্র ক্রিয়েটিভিটির কারণে। যদি আপনার মধ্যে ক্রিয়েটিভিটি থাকে তাহলে অবশ্যই ভিডিও এডিটিং আপনি প্রফেশনাল ভাবে নিতে পারেন। ভিডিও এডিটিং একদম গ্রাফিক্স ডিজাইনের মত ক্রিয়েটিভিটি নিয়ে কাজ করতে হয়।
ভিডিও এডিটিং এর ক্ষেত্রে আপনি যত বেশি আইডিয়া জেনারেট করতে পারবেন আপনার ভিডিও এডিটিং ততই ভালো হবে। আপনি যদি মনে করেন অন্যের ভিডিও কপি করে হালকা একটু এডিট করে প্রফেশনাল মানের ভিডিও এডিটর হবে তাহলে তা কখনোই সম্ভব নয়। এখানে আপনাকে আপনার নিজের। ক্রিয়েটিভিটি দিয়ে কাজ করতে হবে। যারা প্রফেশনাল মানের ভিডিও এডিটর তাদের দেখেও আপনি শিখতে পারেন।

পরিশ্রম ও ধৈর্যশীলতা

মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং শিখতে কত দিন লাগে এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে পরিশ্রম ও ধৈর্যশীলতা। কেননা এই সেক্টরে আসতে গেলে আপনাকে প্রচুর পরিমাণে ধৈর্য ও পরিশ্রম নিয়ে কাজ করতে হবে। এক্ষেত্রে মনে করেন যে যেকোনো শর্ট ফিল্ম ২০ থেকে ৩০ মিনিট এর ভিডিও এডিট করতে আপনার এক সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। এখানে আপনি যতটা ধৈর্য ও পরিশ্রম দিবেন আপনার এডিটিং ততটাই ভালো হবে।

বাংলা ভাষায় একটা প্রবাদ বাক্য আছে "পরিশ্রম সাফল্যের চাবিকাঠি"। যদি আপনি পরিশ্রম করেন তাহলে অবশ্যই সফলতা লাভ করবেন। ভিডিও এডিটিং এর ক্ষেত্রে প্রত্যেকটা ছোট ছোট বিষয়ের উপর নজর দিতে হবে। প্রতিটা টুলস এর উপর দক্ষতা অর্জন করতে হবে। আপনি যদি ভিডিও এডিটিং শিখতে চান তাহলে অবশ্যই পরিশ্রম ও ধৈর্যশীলতা এর মন-মানসিকতা নিয়ে এই সেক্টরে আসতে হবে।

ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার

ভিডিও এডিটিং এর জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার। অনেকেই আমরা মনে করি ভিডিও এডিটিং এর কাজ প্রচুর পরিমাণে প্যারা। এর জন্য ভালো মানের কম্পিউটার বা ল্যাপটপ এর প্রয়োজন। আসলে বিষয়টা তেমন না বর্তমানে এমন অনেক ফোন বের হয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে আপনি ভালো মানের ভিডিও এডিট করতে পারেন। তো চলুন আর দেরি না করে ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার গুলোর নাম জেনে নেই যেগুলো আপনি খুব সহজে আপনি করতে পারেন।
  • Adobe Premiere Clip
  • Video Show
  • Power director Video Editor
  • Kind Master
  • In Shot App
  • Cap cut
  • Viva Video
  • Open Shot
  • VSDC Free Video Editor
  • Lightworks
  • Apple iMovie
  • Apple Final Cut Pro
  • Hit film Express
এছাড়া এমন কিছু পেইড ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার রয়েছে যেগুলো আপনি ব্যবহার করে প্রফেশনাল ভাবে ভিডিও এডিট করতে পারবেন। চলুন জেনে নেই সেগুলো কি কিঃ
  • Adobe Premiere Pro
  • Video Making Course
  • Corel Video Studio Ultimate
  • DaVinci Resolve
  • Movavi Video Editor Plus

স্ক্রিপ্ট ও স্পেশাল ইফেক্ট

বাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং শিখতে কত দিন লাগে এইসব বিষয়ে জানার পাশাপাশি একজন ভিডিও এডিটরকে স্ক্রিপ্ট ও স্পেশাল ইফেক্ট সম্পর্কেও বিস্তারিত জানতে হবে। একজন ভিডিও এডিটর কে স্ক্রিপ্ট সম্পর্কে বিস্তারিত তাড়ানো থাকতে হবে। স্ক্রিপ্ট সম্পর্কে ধারণা না থাকলে ভিডিও থেকে সম্পূর্ণ একটা গল্পে পরিণত করা কখনোই সম্ভব না। আপনি নিজেরস্ক্রিপ্ট সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখলে ফুটেজ এর অ্যাঙ্গেল, কালার গ্রাডিয়ান্ট স্পেশাল ইফেক্ট ইত্যাদি সঠিকভাবে এপ্লাই করতে পারবেন। যা আপনার ভিডিও কারো আকর্ষণ করে তুলবে।

এছাড়াও স্পেশাল ইফেক্ট আপনার যেকোনো ভিডিওকে আরও জোস করে তোলে। বর্তমান সময়ে আমরা গ্রীন স্কিন এবং ভিএফএক্স সম্পর্কে জানি যা এডিটিং এ স্পেশাল ইফেক্ট হিসেবে যোগ করা হয়েছে। আমরা যারা মারভেল সিনেমাটিক মুভি দেখি তারাই স্পেশাল ইফেক্ট সম্পর্কে ধারণা রাখি সেখানে প্রায় প্রতিটি দৃশ্যে গ্রিন স্কিন ভিএক্স এর মাধ্যমে তৈরি করা হয়।

প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং কোর্স

একটি ভিডিও দর্শকের সামনে সুন্দরভাবে উপস্থাপনের জন্য ভালো এডিটিং অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। ভিডিও এডিটিং শুধু ক্রিয়েটিভিটি ও সৃজনশীলতার উপর নির্ভর করে না। এর জন্য আপনাকে অবশ্যই ভিডিও এডিটিং এর জন্য যেসব সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয় সেগুলো পরিচালনা সঠিক দক্ষতা থাকতে হবে। ভিডিও এডিটিং তুলনামূলক অন্যান্য কাজের চেয়ে অনেক সহজ। দক্ষতা বাড়ার সাথে সাথে আপনার ইনকামও বাড়ে। আজকের এই আর্টিকেলে মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং শিখতে কত দিন লাগে ও প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং কোর্স সম্পর্কে আলোচনা করব।
প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং কোর্স আপনি বিভিন্ন থেকে শিখতে পারেন। কোথা থেকে শিখবেন এটা সম্পূর্ণটাই নির্ভর করে আপনার উপর। প্রথমত আপনি গুগল থেকে শিখতে পারেন। গুগলে আপনি বিভিন্ন ধরনের অনলাইন কোর্স পেয়ে যাবেন যেখান থেকে আপনি চাইলে ফ্রিও শিখতে পারেন। এছাড়াও সামান্য কিছু টাকা দিয়েও কোর্সগুলো কিনে করতে পারেন।

ইউটিউব থেকেও আপনি ভিডিও এডিটিং কোর্স শিখতে পারেন। এখানে আপনি ভিডিও এডিটিং সম্পর্কিত অনেক ধরনের ফ্রি ভিডিও টিউটোরিয়াল পেয়ে যাবেন যেগুলো দেখে দেখে আপনি শিখতে পারেন। অনেক বড় বড় ভিডিও এডিটররা তাদের চ্যানেলে ভিডিও এডিটিং টিউটোরিয়াল শেয়ার করে থাকেন। আজকাল প্রায় ইউটিউবে সব ধরনের ভিডিও পাওয়া যায় একদম ফ্রিতে। আপনি যদি শেখার মন মানসিকতা নিয়ে থাকেন তাহলে ইউটিউব থেকেও শিখতে পারেন।

অনলাইন বা অফলাইন যেকোনো আইটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়েও আপনি ভিডিও এডিটিং এর কাজ শিখতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনি সেই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে এডমিশন নিতে পারেন।এক্ষেত্রে তুলনামূলক কোর্স ফি টা একটু বেশি হয়ে থাকে। তবে অনেক ভালো শিখতে পারবেন। একজন মেন্টর পাবেন যিনি আপনাকে যে কোন বিষয় সহায়তা করবে।

ভিডিও এডিটিং ক্যারিয়ার এবং ভবিষ্যৎ

মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং শিখতে কত দিন লাগে লাগে এই চিন্তা ভাবনা দিয়ে কিভাবে একজন প্রফেশনাল ভিডিও এডিটর হওয়া যায় সেই নিয়ে চিন্তাভাবনা করুন। যদি আপনার কাছে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ না থাকে সেক্ষেত্রে আপনি আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোনটি দিয়ে শুরু করতে পারেন ভিডিও এডিটিং। সময়ের সাথে সাথে এই কাজের চাহিদা প্রচুর পরিমাণে বাড়ছে। ভবিষ্যতে এই কাজ আরো দ্বিগুণ পরিমাণে বেড়ে যাবে সেটা নিঃসন্দেহে বলা যয়।
পূর্বে কেউ ধারণা করতে পারেনি যে ভিডিও এডিটিং শিখে কর্মসংস্থান তৈরি করা যাবে। শুধুমাত্র বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও বিয়ে বাড়িতেই ভিডিও এডিটিংস এর মধ্য ছিল। সময়ের সাথে সাথে ভিডিও এডিটিং কর্মসংস্থান হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসায়িক ক্ষেত্রেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ধরুন আপনি আপনার ব্যবসা পরিচালনার জন্য একটা ভিডিও ধারণ করলেন। এখন সেটা প্রফেশনাল মানের ভিডিও তৈরি করার জন্য একজন ভিডিও এডিটর প্রয়োজন পড়বে।

পূর্বের তুলনায় বর্তমান সময়ে বিয়ে বাড়ির ওয়েডিং ফটোশুট থেকে শুরু করে ভিডিও এডিটিং সিনেমা টোগ্রাফি অনুসরণ করা হচ্ছে। আর এই ধরনের ফুটেজ তৈরি করার জন্য প্রয়োজন একজন প্রফেশনাল ও দক্ষমানের ভিডিও এডিটর। কাজেই বুঝতেই পারছেন বর্তমানে ভিডিও এডিটরের চাহিদা। একজন ভালো মানের ভিডিও এডিটর কে প্রচুর পরিমাণে ধৈর্য ধরতে হবে। এর জন্য প্রচুর পরিমাণে ধৈর্য পরিশ্রম ও অর্থ বিনিয়োগ করতে হবে তাহলে আপনি একজন প্রফেশনাল মানের ভিডিও এডিটর হতে পারবেন।

শেষ কথাঃ  মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং শিখতে কত দিন লাগে

উপরের আলোচনা থেকে আমরা বুঝতেই পারছি একজন প্রফেশনাল মানের ভিডিও এডিটরের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু। সুতরাং আপনি যদি ভিডিও এডিটর হিসেবে আপনার ক্যারিয়ার করতে চান তাহলে দেরি না করে এখনই শুরু করতে পারেন। আশা করছি আমাদের এই আর্টিকেলটি পড়ার মাধ্যমে আপনি মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং শিখতে কত দিন লাগে এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন।
এছাড়াও মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং শিখতে কত দিন লাগে এই সম্পর্কে কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট বক্সে জানাবেন। আপনি যদি আমাদের মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং শিখতে কত দিন লাগে এই আর্টিকেলটি পড়ে বুঝতে কোথাও কোন সমস্যা হয় তাহলে আর্টিকেলটি পুনরায় মনোযোগের সহিত পড়ুন।

যদি আমাদের এই আর্টিকেলটি পড়ার মাধ্যমে আপনি উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনি আপনার কাছের মানুষ বন্ধু-বান্ধব ও পাড়া প্রতিবেশীদের কাছে শেয়ার করুন, ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

চাঁপাই আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url