গ্যাস্ট্রিক আলসার রোগীর খাদ্য তালিকা
গ্যাস্ট্রিক আলসার হলো পাকস্থলীর ভেতরের আস্তরণে হওয়া এক ধরনের ক্ষত বা ঘা। পেটে
বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। যেমনঃ পেটব্যথা, বদহজম,
পেটফাঁপা, ও ডায়রিয়া ইত্যাদির রোগ হতে পারে। এদের মধ্যে পেট ব্যথা হচ্ছে
অন্যতম।
আর এই পেট ব্যথা থেকে আলসার এর সৃষ্টি হয়। গ্যাস্ট্রিক আলসার
প্রতিরোধে সবচেয়ে বেশি কার্যকরী ভূমিকা রাখে গ্যাস্ট্রিক আলসার রোগীর
খাদ্য তালিকা।
পেজ সূচিপত্রঃ গ্যাস্ট্রিক আলসার রোগীর খাদ্য তালিকা
ভূমিকা
আপনি কি গ্যাস্ট্রিক আলসার সমস্যায় ভুগছেন। অনেক কিছু করার পরেও সঠিক ফলাফল
পাননি। তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন কেননা আজকের এই আর্টিকেল আলোচনা করতে
চলেছি গ্যাস্ট্রিক আলসার রোগীর খাদ্য তালিকা, ডিওডেনাল আলসার রোগীর খাদ্য তালিকা,
আলসার হলে কি কি খাবার খাওয়া যাবে না, গ্যাস্ট্রিক আলসার হলে কি করা উচিত।
আরো পড়ুনঃ গ্যাস্ট্রিক আলসারের লক্ষণ ও চিকিৎসা
আলসার হলে কি দুধ খাওয়া যাবে, গ্যাস্ট্রিক আলসারের লক্ষণ ও চিকিৎসা, গ্যাস্ট্রিক
আলসারের ঔষধ ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আপনি যদি গ্যাস্ট্রিক
আলসার রোগীর খাদ্য তালিকা ও গ্যাস্ট্রিক আলসার সমস্যাটা সমাধান করতে চান তাহলে
আমাদের এই আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়ুন।
ডিওডেনাল আলসার রোগীর খাদ্য তালিকা
যেকোনো রোগের প্রথম প্রতিষেধক হচ্ছে খাদ্য। খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে যেকোনো রোগের
প্রতিকার করা যায়। নিচে ডিওডেনাল আলসার রোগীর খাদ্য তালিকা সম্পর্কে বিস্তারিত
আলোচনা করা হলো।
ফুলকপিঃ গ্যাস্ট্রিক আলসার রোগীর খাদ্য তালিকা তে প্রথমেই রয়েছে
ফুলকপি। এতে আছে সালফোরাফেন নামক এক ধরনের উপাদান যা হেলিকোব্যাকটার পাইলোরি
নামের ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে ডিওডেনাল আলসার প্রতিরোধ করতে সাহায্য
করে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যদি কোন মানুষ প্রতিদিন দুইবার করে ৭ দিন ফুলকপি
খান তাহলে পাকস্থলিতে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রামক এর ঝুঁকে ৭৮% কমে আছে।
বাঁধাকপিঃ এতে রয়েছে ভিটামিন ইউ নামে পরিচিত এস-মিথাইল মিথিওনাইন নামের
একটি উপাদান যা আলসারের ক্ষত সারিয়ে তুলতে অনেক কার্যকরী। পাকস্থলিতে পিএইচ এর
মাত্রা কম বেশি হলে আলসার হয়। এতে রয়েছে অ্যামাইনো এসিড গ্লটামিন যা আলসার
সারাতে কার্যকরী।
মুলাঃ মুলাতে রয়েছে আঁশ যা হজমে সহায়ক। এছাড়াও মুলা জিঙ্ক এবং অন্যান্য
খনিজ উপাদান শুষে নেয়। মুলা বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ ও গ্যাস্ট্রিক সমস্যা দূর
করতেও সহায়তা করে।
আপেলঃ প্রতিনিয়ত একটি করে আপেল খেলে গ্যাস্ট্রিক আলসার দূর হয়। এছাড়াও
আপেল গ্যাস্ট্রিক আলসার সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে ও সহায়তা করে।
ব্লুবেরিঃ সকালে খালি পেটে ব্লুবেরি খেলে পাকস্থলীর আলসার দূর হয়।
এতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও বিভিন্ন ধরনের গোষ্ঠীর প্রধান রোগ প্রতিরোধ করতে
সহায়তা করে।
স্ট্রবেরিঃ ইদানিং এক গবেষণায় দেখা গেছে, স্ট্রবেরি পাকস্থলীর আলসারের
বিরুদ্ধে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এতে থাকা উচ্চমাত্রার
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা দেহকে আলসার থেকে রক্ষা করে।
বেল পিপার বা ক্যাপসিকামঃ মিষ্টি জাতীয় বেল পিপার বা ক্যাপসিকাম ডিওডেনাল
আলসার প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।
গাজরঃ গাজরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন যা আলসার প্রদাহ বা বদহজম দূর
করতেও সহায়তা করে।
আরো পড়ুনঃ স্থায়ী ফর্সা হওয়ার কার্যকারী উপায়
ব্রোকোলিঃ ব্রোকোলি আলসার সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া কে ধ্বংস করতে সহায়তা
করে।
দইঃ গ্যাস্ট্রিক আলসার রোগীর খাদ্য তালিকা অন্যতম। এতে রয়েছে
প্রোবায়োটিকস, ল্যাকটোবেসিলাস এবং এসিডোফিলাস যা যা আলসার প্রতিরোধ করতেও অনেক
কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
অলিভ অয়েল ও অন্যান্য উদ্ভিদভিত্তিক তেলঃ অলিভ অয়েলে রয়েছে ফেনল যা
ব্যাকটেরিয়া বিরোধী উপাদান হিসেবে কাজ করে। অলিভ অয়েল ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি
করতেও ব্যবহার করা হয়।
মধুঃ সকল রোগের প্রতিশোধক বলা হয় মধুকে। তাই বলাই যাই গ্যাস্ট্রিক আলসার
রোগীর খাদ্য তালিকায় মধু অনেক কার্যকারী। ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ানো ও ক্ষত সারানোর
পাশাপাশি মধু পাকস্থলীর আলসার দূর করতেও সহায়তা করে।
রসুনঃ এ কোয়া রসুনই হেলিকোব্যাকটার পাইলোরি নামের ব্যাকটেরিয়াকে
প্রতিরোধ করে। এতে রয়েছে জীবাণুনাশক উপাদান যা আলসার সারিয়ে তুলতে সহায়তা
করে। ভালো ফলাফল পেতে প্রতিদিন দুই থেকে তিন কোয়া রসুন খেতে পারেন।
আলসার হলে কি কি খাবার খাওয়া যাবে না
যদিও খাবার যেকোনো রোগ প্রতিরোধ করতে অনেক কার্যকরী ভূমিকা রাখে। কিন্তু এমন
কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো আমাদের শরীরের উপকারের থেকে অপকারই বেশি করে। সুতরাং
সেই ধরনের খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো। চলুন গ্যাস্ট্রিক আলসার রোগীর খাদ্য
তালিকায় যেসব খাবার রাখা যাবে না সেই নিয়ে আলোচনা করিঃ
মশলাদার খাবারঃ যেকোনো ধরনের মসলাদার খাবার এড়িয়ে চলুন। কেননা আলসারে
আক্রান্ত রোগীর মসলা পেটের আস্তরণে জ্বালাতন করতে পারে ও এসিড বাড়াতে পারে ।
গরম মরিচ, মরিচ গুড়া ও অন্যান্য মসলাদার খাবার এড়িয়ে চলুন।
সাইট্রাস ফলঃ যেসব ফলে প্রচুর পরিমাণে সাইট্রিক এসিড রয়েছে সেগুলা
আলসার রোগীদের জন্য এড়িয়ে চলাই ভালো। যেসব ফলে প্রচুর পরিমাণে সাইট্রিক এসিড
রয়েছে সেগুলো হলোঃ লেবু, কমলালেবু ও আঙ্গুর এগুলোর পরিবর্তে আপনি আপেল বা কলা
খেতে পারেন।
আরো পড়ুনঃ ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকা
কফি এবং ক্যাফিনযুক্ত পানীয়ঃ অতিরিক্ত চা, কফি বা ক্যাফিনযুক্ত যে সব
পানীয় রয়েছে সেগুলো আলসার রোগীদের জন্য না পান করাই ভালো। কেননা এগুলা পান
করলে পেটের জ্বালা বাড়তে পারে।
কার্বনেটেড পানীয়ঃ কার্বনেটের পানীয় যেমনঃ পেপসি, কোকাকোলা, সেভেন,
স্পিড, টাইগার ইত্যাদি এড়িয়ে চলা। এসব খাবার রোগেরফুলে যাওয়া এবং অ্যাসিড
রিফ্লাক্সের লক্ষণগুলিকে বাড়িয়ে তুলে।
ভাজা এবং চর্বিযুক্ত খাবারঃ ভাজা ও চর্বিযুক্ত খাবার প্রচুর পরিমাণে
গ্যাস্ট্রিক সৃষ্টি করে। এগুলো গ্রহণের ফলে আমাদের হজম শক্তি ও পেটে নানা ধরনের
সমস্যা দেখা দিতে পারে।
গ্যাস্ট্রিক আলসার হলে কি করা উচিত
গ্যাস্ট্রিক আলসার খুবই সাধারণ একটা সমস্যা। এইটা মানুষের দৈনন্দিন জীবনের
খাদ্যভাসের কারণে হয়ে থাকে । গ্যাস্ট্রিক আলসার রোগীর খাদ্য তালিকা ও দৈনন্দিন
জীবনের সঠিক রুটিন মেনে চললেই গ্যাস্ট্রিক আলসার প্রতিরোধ করা যায়।
গ্যাস্ট্রিক আলসার হলে কি করা উচিত সেগুলো জেনে নেই।
- নিয়মিত প্রতিদিন ১ থেকে ২ ঘন্টা শরীর চর্চা করতে হবে
- প্রতিদিন ১ থেকে ২ লিটার পানি পান করতে হবে
- খাদ্য তালিকায় শাকসবজি অবশ্যই রাখতে হবে
- অল্প অল্প করে খেতেই থাকবেন। এভাবেই প্রতিদিন চার থেকে পাঁচবার খাবেন।
- মাছ খেতে পারেন
- অতিরিক্ত চাপ বা দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকতে হবে।
- রাতে হালকা খাবার খেতে হবে এবং রাতে ঘুমানোর কমপক্ষে দুই ঘণ্টা আগে খাবার খেয়ে ঘুমাতে যেতে হবে।
- খাবার ও পানি সবসময়ই বসে খাবেন। প্রতিদিন সময় মতো ও নিয়মিত খাবার খাবেন।
- অতিরিক্ত সমস্যা দেখা দিলে হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
আলসার হলে কি দুধ খাওয়া যাবে
আপনাকে হয়তো আলসার প্রতিরোধে অনেকেই দুধ পান করতে বলবে। অনেকেই জেনে না জেনে
এই ধরনের কথা বলে থাকে। কিন্তু আসলে এই কথার সত্যতা কতটুকু? কিন্তু যদি দুধ
আলসার প্রতিরোধে সহায়তা করে তাহলে কতটুকু সহায়তা করে এইটা নিয়ে আসলে অনেকেই
দ্বিধা দ্বন্ধে থাকেন। চলুন আলসার হলে কি দুধ খাওয়া যাবে সেই নিয়ে নিম্নে
বিস্তারিত আলোচনা করি।
আলসার রোগীকে প্রচুর পরিমাণে দুধ পান করার কথা বলা হয়। কেননা যারা এই পরামর্শ
দেন তারা ধারণা করেন যে, এই আলসার উপসর্গ প্রশমিত করে আলসার প্রতিরোধে সহায়তা
করে। কিন্তু এটা আসলে সব সময় সঠিক হয় না। আলসার প্রতিরোধে প্রচুর পরিমাণে দুধ
পান করতে যাবেন না, কেননা এটি হাইড্রোক্লোরিক এসিড উৎপন্ন করে, যা আপনার
আলসারের আরো খারাপ অবস্থা তৈরি করতে পারে। তবে আপনাকে দুধ পান করতে নিষেধ করা
হচ্ছে না।
আপনি প্রতিদিন চাইলে ১ থেকে ২ গ্লাস পান করতে পারেন। যদি সমস্যা অনুভব করেন
তাহলে দুধ পান না করাই ভালো। মনে রাখবেন, বেশি পরিমাণে দুধ পান আলসার প্রতিরোধ
করা যায় না। আলসার প্রতিরোধ এটি একটি সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। আলসার দ্রুত
নিরাময়ের কোন খাবার নেই। এটি ধীরে ধীরে নিরাময় করা যায়। তবে এমন কিছু খাবার
রয়েছে যেগুলো খেলে আলসার নিরাময় করা যায়।
গ্যাস্ট্রিক আলসারের ঔষধ
গ্যাস্ট্রিক আলসার রোগীর খাদ্য তালিকা এরপরে গ্যাস্ট্রিক আলসারের ওষুধ সবচেয়ে
বেশি কার্যকরী ভূমিকা রাখে গ্যাস্ট্রিক আলসার দূর করতে। গ্যাস্ট্রিক আলসার এর
চিকিৎসা কেমন হবে তা মূলত নির্ভর করে আলসারটি কোন কারনে হয়েছে তার উপর। তবে
যদি আপনি ডাক্তারকে আপনার আলসার এর কারণটি ঠিকঠাকমতো বুঝিয়ে বলতে পারেন তবে
আলসার ১ থেকে ২ মাসের মধ্যেই ভালো হয়ে যায়।তবে বেশিরভাগ আলসারের চিকিৎসায়
প্রথমত প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর (পিপিআই) গ্রুপের ঔষধ সেবন করতে বলা হয়।
আরো পড়ুনঃ খেজুর খেলে কি বীর্য ঘন হয়
এগুলোকে আমরা সাধারণত গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ হিসেবে চিনি। যেমনঃ ওমিপ্রাজল,
ইসোমিপ্রাজল, র্যাবেপ্রাজল, প্যান্টোপ্রাজল ও ল্যানসোপ্রাজল। নন স্টেরয়ডাল
অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগস বা NSAIDs গ্রুপের ঔষধ। যেমন: ন্যাপ্রক্সেন,
অ্যাসপিরিন, এসিক্লোফেনাক ও ডাইক্লোফেনাক) সেবনের ফলে আলসার হলে পিপিআই সেবন
করতে হয়। NSAIDsগুলো সাধারণ মানুষের কাছে ‘ব্যথার ঔষধ’ হিসেবে পরিচিত।
গ্যাস্ট্রিক আলসারের লক্ষণ ও চিকিৎসা
গ্যাস্ট্রিক আলসার মূলত পেটের আলসার নামে পরিচিত। পেটের আলসার মূলত হচ্ছে পেটের
এক ধরনের ঘা বা ক্ষত। যা অনেক বেদনাদায়ক হতে পারে। গ্যাস্ট্রিক আলসারের কিছু
লক্ষণ ও উপসর্গ দেখে নির্ণয় করা হয়। নিচে গ্যাস্ট্রিক আলসারের লক্ষণ ও
চিকিৎসা আলোচনা করা হলো।
গ্যাস্ট্রিক আলসারের লক্ষণ
- অতিরিক্ত পেট ব্যথা
- পেট ফুলে যাওয়া
- জ্বালাপোড়া বা কুঁচকানো পেটে ব্যথা
- বদহজম
- অবসাদ
- ক্ষুদামন্দ
- রক্তক্ষরণ আলসারের কারণে রক্তস্বল্পতা থেকে দুর্বলতা ও মাথা ঘোরা
- বমি বমি ভাব
- খাদ্য গ্রহণের সময় সাময়িক অস্বস্তি
- ওজন কমানো
- ব্যথায় খেতে ইচ্ছে না করা
গ্যাস্ট্রিক আলসারের চিকিৎসা
ডাক্তাররা পেটের আলসারের লক্ষণগুলো অনুসরণ করে, কোথায় ব্যথা হচ্ছে? ব্যথার
তীব্রতা কতটুকু এবং এটি কখন ঘটে এবং কত ঘন ঘন ও দীর্ঘ হয়েছে সেই সম্পর্কে জেনে
চিকিৎসা করেন। গ্যাস্ট্রিক আলসার বেশ কিছু উপায় অবলম্বন করে চিকিৎসা করা হয়
তবে সবচেয়ে কার্যকারী উপায় হচ্ছে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা করা।
- এইচ পাইলোরে উপনিবেশ ধ্বংস করতে ও নিরাময় প্রক্রিয়াকে সহজ করতে এন্টিবায়োটিক সহ ওষুধ ব্যবহার করা।
- এইচ পাইলোরির সংক্রমণ সফলভাবে চিকিৎসা করা হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করা।
- গ্যাস্ট্রিক আলসারে আক্রান্ত রোগীদের অতিরিক্ত চা, কফি, অ্যালকোহল কার্বনেটেড পানীয়, চকলেট, সাইট্রিক এসিড ও টমেটো পণ্যের মতো বিরক্তিকর খাবারগুলোর এড়িয়ে চলতে হবে।
- ভাজা, মসলাদার ও উচ্চ অ্যাসিটিক খাবার গুলো এড়িয়ে চলতে হবে
- ব্যথা কমানোর জন্য একেবারে অপরিহার্য না হলে NSAID সেবনকে নিরুৎসাহিত করা। কেননা এতে উপকারের থেকে উপকারী বেশি হয়
- অতিরিক্ত পেট জ্বালা সীমিত রোগীকে অবশ্যই ধূমপান ত্যাগ করতে হবে।
- অতিরিক্ত ব্যথা, রক্তক্ষরণ আলসার বা ছিদ্রের জন্য রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করা যার জন্য জরুরি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন।
- এছাড়াও রক্তপাত বন্ধ করার জন্য প্রয়োজন অনুসারে এন্ডোস্কোপিক পদ্ধতিগুলি ব্যবহার করা।
শেষ কথা
গ্যাস্ট্রিক আলসার রোগীর খাদ্য তালিকা গ্যাস্ট্রিক সমস্যা সমাধানে অনেক
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গ্যাস্ট্রিক আলসার সমস্যা সমাধানে রোগীকে বেশ
কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে, ধূমপান
অ্যালকোহল ও মসলাদার যুক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। আশা করছি গ্যাস্ট্রিক আলসার
রোগীর খাদ্য তালিকা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন।
আরো পড়ুনঃ ডেঙ্গু জ্বর হলে কি খেতে হবে
গ্যাস্ট্রিক আলসার রোগীর খাদ্য তালিকা সম্পর্কিত যেকোনো মূল্যবান মতামত ও
প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট বক্সে জানাবেন এবং যদি আর্টিকেলটি পড়ে
বুঝতে কোথাও কোন সমস্যা হয় তাহলে অবশ্যই পুনরায় আর্টিকেলটি মনোযোগের সহিত
পড়বেন। যদি আমাদের এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি উপকৃত হন তাহলে অবশ্যই আপনি আপনার
বন্ধুবান্ধবও কাছের মানুষদের সাথে শেয়ার করবেন, ধন্যবাদ।
চাঁপাই আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url