ফাইভারে বায়ারের সাথে ভিডিও কলে করণীয়
বর্তমান সময়ে বহুল জনপ্রিয় একটা পেশা হল ফ্রিল্যান্সিং। এই ফ্রিল্যান্সিংয়ে
আসতে হলে আপনাকে বেশ কিছু বিষয় জেনে আসতে হবে। তা না হলে এখানে সফলতা অর্জন করা
বেশ কষ্টসাধ্য। আমরা ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য বিভিন্ন ধরনের মার্কেটপ্লেস ব্যবহার
করে থাকি। সেই মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের নীতিমালা থাকে সেগুলো অবশ্যই
আগে থেকে জানতে হবে।
এদের মধ্যে অন্যতম একটি জনপ্রিয় মার্কেট প্লেস হল ফাইভার। ফাইভারে কাজ করতে
গিয়ে অনেক সময় বায়ার ভিডিও কল আসতে চাই। কিন্তু আমরা যারা প্রথম ফ্রিল্যান্সিং
শুরু করি তারা ভিডিও কলে এসে কিভাবে কথা বলব বা কি বলবো এই নিয়ে অনেক হতাশায়
থাকি। সুতরাং আপনাদের সুবিধার্থে আজকের এই আর্টিকেলে ফাইভারে বায়ারের সাথে ভিডিও
কলে করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।
পেজ সূচিপত্রঃ ফাইভারে বায়ারের সাথে ভিডিও কলে করণীয়
ভূমিকা
বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং করে অনেক তরুণ তরুণী মাসে প্রায় লক্ষ লক্ষ টাকা পর্যন্ত
আয় করছে। যদি আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে চান তাহলে অবশ্যই মার্কেটপ্লেস এর করণীয়
গুলো আপনাকে আগে থেকেই জানতে হবে। আপনি যদি মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে চান এবং
মার্কেটপ্লেসে কাজ করে আপনি আপনার ক্যারিয়ার গড়তে চান তাহলে অবশ্যই ফাইভারে
বায়ারের সাথে ভিডিও কলে করণীয় বিস্তারিত জানতে হবে।
এক্ষেত্রে আপনার কাজ পাওয়াটা অনেক সহজ হবে। আপনি যদি আমাদের এই আর্টিকেলটি শেষ
পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়েন তাহলে ফাইভারে বায়ারের সাথে ভিডিও কলে করণীয়,
ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য ফাইভার কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ, ফাইভারে ফ্রিল্যান্সিং করার
সুবিধা, ফ্রিল্যান্সিং করতে ফাইভার এর ভূমিকা, ফাইভার গিগ আকর্ষণীয় করার উপায়,
ফাইভারে বেশি কাজ পাওয়ার সহজ উপায়, ফাইভারে কি ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব ও ফাইভারে
কিভাবে কাজ শুরু করব ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা লাভ করতে পারবেন।
ফাইভারে বায়ারের সাথে ভিডিও কলে করণীয়
ফাইভার হচ্ছে একজন ফ্রিল্যান্সারের কর্মসংস্থান। নতুন যারা ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে
আসতে চাচ্ছেন তাদের জন্য ফাইবার মার্কেটপ্লেস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গা।
এখান থেকেই আপনার দক্ষতা অনুযায়ী কাজ খুঁজে করতে হবে। আপনি যদি ফাইভার
মার্কেটপ্লেস এ কাজ করতে চান তাহলে আগে থেকেই এই বিষয়ে দক্ষ হয়ে আসতে হবে।
ফাইভার মার্কেটপ্লেসের কতগুলো নিয়ম নীতিমালা রয়েছে যেগুলো ঠিকঠাক মতো মেনে কাজ
করতে হবে। এগুলো সম্পর্কে আপনার পূর্বেই বিস্তারিত ধারণা থাকতে হবে। ফাইভার
মার্কেটপ্লেসে সফলতা পেতে হলে অবশ্যই আপনাকে বাইরের সাথে ভিডিও কলে আসতে হবে।
নতুন যারা ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে এসে ফাইভারে বায়ারের সাথে ভিডিও কলে করণীয় গুলো
না জানার কারণে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনাটাও কমে যায়। চলুন তাই আর দেরি না করে জেনে
নেয় ফাইভারে বায়ারের সাথে ভিডিও কলে করণীয়।
- ফাইভার থেকে শুরু করে যেকোনো মার্কেট প্লেসে সঠিকভাবে কাজ করতে হলে সেই কাজের উপর ভালোভাবে দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
- একটা কথা আছে আগে দর্শনধারী পরে গুণবিচারে। সুতরাংফাইভারে সফলতা পেতে হলে আপনার প্রোফাইলটা একদম পারফেক্ট থাকতে হবে।
- এর পরে আসি ভাষাগত দক্ষতা নিয়ে। ফাইভার মার্কেটপ্লেস এর ভাষা ইংরেজি সেহেতু ইংরেজি ভাষায় কথা বলার দক্ষতা থাকতে হবে।
- ভিডিও কলে আসার আগে অবশ্যই আপনার কাজের বিষয়বস্তুগুলো ভালোভাবে গুছিয়ে প্রস্তুতি নিয়ে আসতে হবে। যেন বায়ার কিছু জানতে চাইলে বা দিকনির্দেশনা দিলে সেই ভাবে আপনি বুঝিয়ে বলতে পারেন।
- টাইম ম্যানেজমেন্ট। ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে টাইম ম্যানেজমেন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। তাই বায়ারকে আপনি যে টাইমে ভিডিও কল শেয়ার করবেন ঠিক সেই সময় উপস্থিত থেকে কথা বলবেন।
- বাইরের সাথে ভিডিও কল শেয়ার করার পূর্বে অবশ্যই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি পোশাক পরিধান করে ভিডিও কলে যাবেন।
- এছাড়াও বায়ার এই কাজটি অন্য কাউকে দিয়ে এর আগে করিয়েছে কিনা বা এই কাজের কোন পরিবর্তন চাই কিনা বা কিভাবে করে নিতে চাই সেই সম্পর্কে ভালোভাবে জিজ্ঞাসা করে নিতে হবে।
ফাইভারে বায়ারের সাথে ভিডিও কলে করণীয় গুলো না জানার কারণে অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং
সেক্টরে এসে সফলতা পাইনা। সুতরাং আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে আসতে চান অথবা
অলরেডি ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে কাজ করেন তাহলে অবশ্যই উপরের বিষয়গুলি মেনে চলতে
হবে।
ফাইভার কাকে বলে
ফাইভার কাকে বলে? এই বিষয়টা হয়তো আমরা অনেকেই জানি আবার অনেকের এই সম্পর্কে কোন
ধারণা নেই বললেই চলে। ফাইভার হল ফ্রিল্যান্সারদের জন্য কর্মসংস্থান। যেখানে তারা
কাজ খুঁজে তাদের দক্ষতা অনুযায়ী সার্ভিস দিয়ে থাকেন। ফাইভার ২০১০ সালে ইসরাইলের
একটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন। একটি বিশ্বব্যাপী একটি কর্মসংস্থানের কেন্দ্র।
আরো পড়ুনঃ মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং
নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ফাইবার অনেক সুবিধা জনক। নতুন যারা এখানে কাজ করতে
চান তারা সহজ এবং কঠিন দুই ধরনের কাজ পাবেন। ফাইবারে যারা কাজ করতে চান তারা একটু
দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে করলেই এখান থেকে প্রচুর পরিমাণে অর্থা আয় করতে পারবেন।
ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য ফাইভার কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ
ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য ফাইভার কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ ও ফাইভারে বায়ারের সাথে ভিডিও
কলে করণীয় এই সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকার কারণে অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে
এসে অসফল। ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো
ফাইভার । নতুন যারা ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে আসতে চাচ্ছেন বা দক্ষতা অর্জন করে
মার্কেটপ্লেস আসতে চাচ্ছেন তাদের জন্য ফাইভার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গা।
এখান থেকে আপনি খুব সহজেই কাজ পেতে পারেন। বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সিং ট্রেন্ডিং
এ পরিণত হয়েছে। বর্তমানে জনসংখ্যার তুলনায় কর্মসংস্থানের অভাব থাকায় তরুণ
তরুণীদের মাঝে ফ্রিল্যান্সিং শেখার আগ্রহ টা বেড়েই চলেছে। অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং
করে সাবলম্বী হচ্ছে। আবার অনেকেই ক্যারিয়ার হিসেবেও নিয়ে নিয়েছেন।
এই ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে আসতে হলে আপনার শুধুমাত্র একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ
এবং ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই হবে। এরপর যেকোনো একটি দক্ষতা অর্জন করে নিতে হবে।
সেই দক্ষতা অনুযায়ী ফাইভার মার্কেট প্লেসে একাউন্ট তৈরি করে সার্ভিস দিতে পারেন।
চলুন এমন কিছু দক্ষতা নিয়ে আলোচনা করি যেগুলো আপনার কাজ পেতে খুব সহায়তা করবে।
আর্টিকেল রাইটিংঃ আপনি যদি লেখালেখির প্রতি আগ্রহী হয়ে থাকেন। তাহলে এই
লেখালেখি হতে পারে আপনারাই একটা মাধ্যম। আর্টিকেল রাইটিং মোটামুটি সহজ একটা কাজ।
অল্প কিছুদিন শিখেই আপনি ইনকাম করতে পারবেন।
আরো পড়ুনঃ মাসে ২০ হাজার টাকা আয়
ওয়েবসাইট ক্রিয়েটঃ বর্তমান সময়ে অনেকেই ওয়েবসাইট ক্রিয়েট করে লক্ষ
লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করছে। সুতরাং আপনিও চাইলে ওয়েবসাইট ক্রিয়েট করা শিখে
ইনকাম করতে পারেন।
ট্রান্সলেটরঃ আপনি যদি কয়েকটা ভাষায় দক্ষ হয়ে থাকেন তবে ট্রান্সলেটর
হিসেবে কাজ করে আয় করতে পারেন। এটা আপনি অনলাইন এবং অফলাইন উভয় জায়গায় করতে
পারেন।
গ্রাফিক্স ডিজাইনঃ বর্তমান সময়ে ট্রাফিক ডিজাইন কাজের প্রচুর চাহিদা
রয়েছে। লোগো ডিজাইন, কভার ফটো, পোস্টার ও ব্যানার ইত্যাদি তৈরি করেও আপনি আয়
করতে পারবেন।
ফ্রিল্যান্সিং করতে ফাইভার এর ভূমিকা
ফ্রিল্যান্সিং করতে ফাইভার এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফ্রিল্যান্সিং এর
মার্কেটপ্লেস গুলোর মধ্যে অনেক জনপ্রিয় একটা মার্কেট প্লেস হল ফাইভার। ফাইভারে
কাজ করে অনেক তরুণ তরুণীরা নিজেদের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে সক্ষম হচ্ছে। ফাইভারে
বিভিন্ন ধরনের কাজ রয়েছে যেগুলো আপনি করে খুব সহজে আয় করতে পারেন। ফাইভারে
একাউন্ট তৈরি করে সেখানে গিগ পাবলিস্ট করতে হবে।
আপনার ক্যাটেগরি ভিত্তিক দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, কাজের ধরন ইত্যাদি তৈরি করতে হবে। গিগ
মার্কেটিং হলো ফাইভার এর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনি ফাইভার যত বেশি গিগ
মার্কেটিং, রিকোয়েস্ট, গিগ প্রমোট ইত্যাদি যত বেশি করবেন আপনার কাজ পাওয়ার
সম্ভাবনা তত বেশি বেড়ে যাবে। ফাইভারে সফলতা পেতে হলে আপনাকে প্রচুর পরিমাণে
ধৈর্য ও পরিশ্রম করতে হবে।
ফাইভারে ফ্রিল্যান্সিং করার সুবিধা
ফাইভারে বায়ারের সাথে ভিডিও কলে করণীয় এর পাশাপাশি ফাইভারে ফ্রিল্যান্সিং করার
সুবিধা সুবিধাগুলো জেনে রাখা উচিত। বর্তমান সময়ে জনপ্রিয় মার্কেট প্লেস গুলোর
মধ্যে অন্যতম হলো ফাইভার। আপনি যদি ফাইভারে কাজ করে আয় করতে চান তাহলে ফাইভারে
ফ্রিল্যান্সিং করার সুবিধা গুলো কি কি চলুন জেনে নেই।
যেকোনো মার্কেট প্লেসে কাজ করতে হলে প্রথমত আপনাকে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিতে
হবে। এরপর সেই অ্যাকাউন্টটি সুন্দরভাবে গুছিয়ে নিতে হবে আপনার কাজের দক্ষতা
অনুযায়ী।এক্ষেত্রে সুবিধা হচ্ছে অন্যান্য মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট করা বেশ কঠিন।
ফাইভারে তুলনামূলক অ্যাকাউন্ট করা এবং অন্যান্য যেসব কাজগুলো রয়েছে সেগুলো করা
সোজা।
আরো পড়ুনঃ SEO করে কত টাকা আয় করা যায়
বর্তমান সময়ে যে সকল মার্কেটপ্লেস রয়েছে এগুলোতে ক্লাইন্টরা নিজেদের কাজের জন্য
প্রয়োজনীয় সার্ভিস গুলো প্রজেক্ট আকারে প্রকাশ করে। সেই কাজের জন্য ১৮ একজন
ফ্রিল্যান্সার অ্যাপ্লাই করে অথবা গিগ সাবমিট করে। এরপর ক্লায়েন্ট সেই
ফ্রিল্যান্সারের সাথে কথা বলে যদি মনে করে সেই কাজের জন্য যোগ্য তাহলেই তাকে সেই
কাজ দেয়।
ফাইভার গিগ আকর্ষণীয় করার উপায়
ফাইভারে কাজ পাওয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে গিগ পাবলিস্ট। ফাইভারে গিগ
যতো আকর্ষণীয় হবে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা তত বেড়ে যাবে। সুতরাং কাজ পেতে হলে
আপনার গিগ গুলোকে অবশ্যই আকর্ষণীয় করা জরুরী। চলুন জেনে নেয় ফাইভার গিগ
আকর্ষণীয় করার উপায় গুলো।
ফাইভারে গিগের SEO
ফাইভারে গিগকে আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় হলো এসিও।
যদি আপনি গিগর জন্য ঠিকঠাক মতো এসিও করে করতে পারেন তাহলে ইনশাল্লাহ ভালো একটা
ফলাফল পাবেন। ফাইভারে গিগের জন্য প্রথমত আপনাকে ভালোভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে
হবে এবং ভালোভাবে অপটিমাইজ করে আপনার লিকার এসিও করতে হবে।
গিগে ভিডিও সংযুক্ত করা
ফাইভারের মাধ্যমে যারা গিগ তৈরি করেন তাদের গিগে ৪০% পর্যন্ত ট্রাফিক বাড়ায়।
গিগে ভিডিওতে আপনি যেসব বিষয়ে তুলে ধরবেন তা আপনার বায়ারকে আরো আকৃষ্ট করবে। এর
জন্য আপনাকে বেশ কিছু বিষয় উপস্থাপন করতে হবে। যেমনঃ নিজের পরিচয় তুলে ধরা,
বায়ারকে আপনি বলে সম্বোধন করা, আপনার অভিজ্ঞতা এবং প্রোডাক্ট সম্পর্কে বিস্তারিত
ধারণা দেওয়া, আপনার সার্ভিসগুলো অন্যান্য সার্ভিস এর থেকে আলাদা সেটা বোঝানো,
যারা আপনার ভিডিও গুলো দেখে তাদের অর্ডার করতে বলা ইত্যাদি।
গিগের আকর্ষণীয় ছবি ও প্রোফাইল
বায়াররা গিগের আকর্ষণীয় ছবি ও প্রোফাইল দেখে আকৃষ্ট হয়ে থাকেন। সেক্ষেত্রে
প্রোফাইল পিকচার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় গিগের আকর্ষণীয় করার জন্য।
অল টাইম ডেলিভারি
যেকোনো কাজ বায়ার ঠিক যে সময় চাইবে সেই সময় ডেলিভারি দেওয়া। ফ্রিল্যান্সিং এর
জন্য এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় কাজ ঠিকঠাক মতো টাইমে ডেলিভারি দেওয়া।
ফাইভারে বেশি কাজ পাওয়ার সহজ উপায়
ফাইভারে বায়ারের সাথে ভিডিও কলে করণীয় এর সাথে ফাইভারে বেশি কাজ পাওয়ার সহজ
উপায় গুলো জানলে খুব সহজেই আপনি ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে সফলতা অর্জন করতে
পারবেন।ফাইভার অনেক জনপ্রিয় ও অন্যতম একটা মার্কেটপ্লেস। এখানে সহজ এবং জটিল দুই
ধরনের কাজ রয়েছে। আপনি কি এখানে ইনকামের আশায় আসেন কিন্তু ঠিকঠাক ভাবে দক্ষতা
অর্জন বা কিভাবে সহজে কাজ পাওয়া যায় না জানার কারণে আয় করতে পারেন না।
প্রোফাইলঃ ফাইভারে কাজ পেতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে
প্রোফাইল। একজন বায়ারের সর্বপ্রথম যে বিষয়টা চোখে পড়ে সেটা হচ্ছে প্রোফাইল।
আপনার প্রোফাইল কে পেশাদার ও আকর্ষণীয় করে তুলুন এক্ষেত্রে আপনার কাজ পাওয়া
অনেক সহজ হবে। সে ক্ষেত্রে আপনার নাম প্রোফাইল পিকচার ইত্যাদি স্পষ্ট হতে হবে।
ডেসক্রিপশনঃ প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ ভিডিও ফাইভারে আপলোড করা হয়ে থাকে।
আপনাকে এমন কিছু করতে হবে যেন আপনার প্রোফাইল বা ভিডিও দেখে আকৃষ্ট হয়। আপনার
গিগের জন্য ডেসক্রিপশন দিন যে আপনার কাজ পেতে সহায়তা করবে।
সিমিলার গিগ নিয়ে কাজ করুনঃ অনেকেই রয়েছে যারা বিভিন্ন ধরনের টিপস নিয়ে
কাজ করে থাকেন এটি না করে আপনি সিমিলার গিগ নিয়ে কাজ করুন। এক্ষেত্রে আপনার কাজ
পাওয়া সম্ভব না বেশি থাকে।
ফাইভারে কি ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব
বর্তমান প্রেক্ষাপটে জনসংখ্যার তুলনায় কর্মসংস্থান কম থাকায় অনেকেই
ফ্রিল্যান্সিং করে আত্মকর্মসংস্থান গড়ে তুলছেন। কিন্তু অনেকেই আবার ভাবছেন যে
ফাইভারে কি ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব আসলেই । তাদের উদ্দেশ্য আমি বলবো বর্তমানে অনেক
তরুণ তরুণী রয়েছে যারা মাসে প্রায়ই লক্ষাধিক টাকা পর্যন্ত আয় করে। সুতরাং আপনি
চাইলে ফাইভারে ক্যারিয়ার গড়তে পারেন।
আরো পড়ুনঃ অনলাইন লুডু বাজি
যদি আপনি দক্ষ ও সৃজনশীলতার সাথে কাজ করেন তাহলে অবশ্যই এখান থেকে খুব তাড়াতাড়ি
সফলতা অর্জন করতে পারবেন। আপনি যদি যেকোন একটা বিষয়ের উপর দক্ষতা অর্জন করে কাজ
করতে পারেন সে ক্ষেত্রে খুব সুন্দর ও উজ্জ্বল একটা ক্যারিয়ার তৈরি করতে পারেন।
ফাইভারে কিভাবে কাজ শুরু করব
ফাইভারে কিভাবে কাজ শুরু করব না জানার কারণে অনেকেই দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভোগেন।
ফাইভার হলো একটি ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি। এখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের
ফ্রিল্যান্সাররা কাজ করে থাকেন। আপনিও যদি ফাইভারে কাজ শুরু করতে চান সেক্ষেত্রে
আগে দক্ষতা অর্জন করতে হবে তারপর ফাইভারে তৈরি করে কাজ করতে হবে।
এখানে দুইভাবে অ্যাকাউন্ট তৈরি করা যায় সেলার ও বায়ার একাউন্ট। আপনি যেভাবে কাজ
করবেন সেভাবে অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিবেন। ফাইভারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা
বিষয় যা আপনার কাজ পেতে সহায়তা করবে। তাই আপনার উচিত আপনি যখন ফাইভারে গিগ তৈরি
করবেন তখন অবশ্যই দক্ষ ও নির্ভুলভাবে তৈরি করার চেষ্টা করবেন।
শেষ কথা
আমাদের এই আর্টিকেলটি পড়ার মাধ্যমে আপনি ফাইভারে বায়ারের সাথে ভিডিও কলে করণীয়
সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। যদি আপনি একজন নতুন ফ্রিল্যান্সার হয়ে থাকেন এবং
মার্কেটপ্লেস এ কাজ করতে চান সেক্ষেত্রে ফাইভারে বায়ারের সাথে ভিডিও কলে করণীয়
গুলো জানা আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । কেননা এই আর্টিকেলে যে সব বিষয়ে
আলোচনা করেছি সেগুলো নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সফলতা পেতে অত্যন্ত কার্যকারী।
আরো পড়ুনঃ মোবাইল দিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং
ফাইভারে বায়ারের সাথে ভিডিও কলে করণীয় সম্পর্কে কোন প্রশ্ন থাকে অথবা আরও কিছু
জানতে চান সেক্ষেত্রে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট বক্সে জানাবেন। যদি আমাদের এই
আর্টিকেলটি পরে আপনি উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে আপনি আপনার বন্ধু বান্ধব কাছের মানুষ
ও পাড়া-প্রতিবেশীদের সাথে শেয়ার করুন, ধন্যবাদ।
চাঁপাই আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url