চুল পড়া বন্ধ হওয়ার ঘরোয়া উপায়

চুল পড়া একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া। আমার মনে হয় প্রায়ই সকলেই একটা পর্যায়ে গিয়ে চুল পড়া সমস্যা নিয়ে ভুগতে থাকেন। কেননা দৈনন্দিন জীবনযাপন ও মানসিক চাপ সামলাতে গিয়ে কখন যে মাথার চুল পড়ে যায় সেটা খেয়ালই থাকে না। পৃথিবীর প্রত্যেকটা মানুষই চাই তার মাথায় ঘন কালো ও স্বাস্থ্য উজ্জ্বল চুল থাকুক।
চুল পড়া বন্ধ হওয়ার ঘরোয়া উপায়
কিন্তু মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপন এর কারণে অনেক সময় চুল পড়ে যায়। তাই আজকের এই আর্টিকেলের আলোচ্য বিষয় চুল পড়া বন্ধ হওয়ার ঘরোয়া উপায়।
পেজ সূচিপত্রঃ  চুল পড়া বন্ধ হওয়ার ঘরোয়া উপায় 

ভূমিকা

চেহারার পাশাপাশি আমাদের চুলের ও ঠিকঠাক যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। কেননা চেহারায় উজ্জ্বলতা না থাকলে যেমন ভালো দেখায় না, ঠিক তেমনি মাথায় চুল না থাকলেও ভালো দেখায় না। চেহারা ও চুল একটি অপরটির পরিপূরক। একটি ছাড়া আরেকটি সঙ্গীহীন। সুতরাং আমরা বলতেই পারি পৃথিবীর প্রত্যেকটা মানুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে চুল অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তাই আজকের এই আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করতে চলেছি চুল পড়া বন্ধ হওয়ার ঘরোয়া উপায়, চুল পড়ার কারণ কি, চুল পড়া বন্ধে করনীয়, চুল পড়া বন্ধ করার তেলের নাম, চুল পড়া বন্ধ করার শ্যাম্পু ও চুল পড়া বন্ধ করার ভিটামিন ই ক্যাপসুল ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

চুল পড়ার কারণ কি

চুল পড়া অত্যন্ত জটিল একটি প্রক্রিয়া। গড়ে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সাধারণত ১ লাখ এর বেশি চুল থাকে। সাধারণত একজন মানুষের মাথায় চুল তিন বছর পর্যন্ত থাকে। এরপর এগুলো এলো জেন বা বিশ্রামের পর্যায়ে চলে যায়। তিন মাসের তেলেজেন সময়কালে চুলের গোড়া নরম হয়ে যায় এবং চুল উঠতে থাকে। এই সময় প্রতিদিন প্রায় ৫০ থেকে ১০০ টি চুল পড়ে।

বিভিন্ন কারণে চুল পড়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। চুল পড়া বন্ধ হওয়ার ঘরোয়া উপায় ও কি কি কারনে চুল পড়ে সেগুলো জানলেই অনেকটা চুল বড় প্রতিরোধ করা যায়। চলুন জেনে নেই চুল পড়ার কারণ কি কি?

  • চুল পড়ার প্রধান কারণই হচ্ছে বংশগত বা জিনগত। যা বয়স বা বার্ধক্যের সঙ্গে বাড়ে।
  • থাইরয়েড ডিজিজ, রক্তস্বল্পতা, মাথার ত্বকের দাদ ইত্যাদির কারণেও চুল পড়ে।
  • উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, গাউট, ডিপ্রেশন চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ সেবন এর ফলে রক্ত পড়তে পারে।
  • ক্যান্সার নিরাময় ব্যবহৃত কেমোথেরাপি দেওয়ার ফলে চুল পড়ে।
  • সন্তান জন্ম দেওয়ার পর বা মনোপজের সময় হর মনের প্রভাবে নারীদের চুল পড়ার দেখা দিতে পারে।
  • চুল নিয়ে টানাটানি ও মানসিক আঘাত করার ফলে চুল পড়তে পারে।
  • ভেজা অবস্থায় চিরুনি দিয়ে চুল আচড়ানোর ফলে অনেক সময় চুল পড়ে।
  • চুলের স্টাইলের কারণে, অনেক সময় চুলে বিভিন্ন ধরনের কালার, চুল সোজা করা বা আইরন করা ইত্যাদির কারণেও চুল পড়ে।
  • পুষ্টির ঘাটতি, অস্বাভাবিক ডায়েট, দ্রুত ওজন হ্রাস।
  • হট ওয়েলিং হেয়ার চিকিৎসার কারণেও চুল পড়ে।
  • শ্যাম্পু করার পর কন্ডিশনার ব্যবহার না করা কারণেও চুল পড়া দেখা দিতে পারে।

চুল পড়া বন্ধ হওয়ার ঘরোয়া উপায়

চুল পড়া প্রতিরোধে অনেকেই অনেক পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকলেও সবচেয়ে কার্যকরী ও গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি হচ্ছে ঘরোয়া পদ্ধতি। ঘরোয়া পদ্ধতি অবলম্বন করে খুব সহজেই চুল বড় হবে বন্ধ করতে পারেন। চলুন তাই আর দেরি না করে জেনে নেই চুল পড়া বন্ধ হওয়ার ঘরোয়া উপায়।

পেঁয়াজের রসঃ পেঁয়াজের রসে প্রচুর পরিমাণে সালফার থাকায় এর রস তুলে দিলে চুলের ফলিকলে রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। চুল হয় আরো মজবুত ঘন ও স্বাস্থ্য উজ্জ্বল।

অ্যালোভেরাঃ অ্যালোভেরা জেল মাথার তালুতে লাগান। এতে চুল দ্রুত বাড়বে ও চুল পড়া বন্ধ হবে।

নারিকেল তেলঃ চুল পড়া বন্ধ হওয়ার ঘরোয়া উপায় কে নারকেল অনেক কার্যকরী ভূমিকা রাখে। কুসুম গরম নারিকেল তেল মাথার তালুতে ম্যাসাজ করুন। চুলের গোড়া মজবুত করতে ও চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে অনেক সহায়ক।
ডিমঃ ডিমে রয়েছে প্রোটিন ও বায়োটিন। ডিমের সঙ্গে চুলের যত্নে ব্যবহৃত অন্যান্য উপকরণ যেমন টক দই, অলিভ অয়েল, নারিকেল তেল, ইত্যাদি মিশিয়ে হেয়ার মাস্ক তৈরি করে চুলের লাগান। এতে চুল হবে অনেক কালো ঘন স্বাস্থ্য উজ্জ্বল।

টক দইঃ টক দইইয়ে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। টক দইয়ে এর হেয়ার মাক্স তৈরি করে চুলে লাগান এতে চুল মজবুত থাকে।

মেথিঃ চুলের দৈর্ঘ্য অনুযায়ী পরিমাণ মতো মেথি ভিজিয়ে রাখুন। তারপর সেগুলো ভালোভাবে পেটে পেস্ট তৈরি করে মাথায় লাগান। এতে চুল পড়া বন্ধ হয়ে যাবে এবং চুলের বৃদ্ধি হবে।

গ্রিন টিঃ গ্রিন টিয়ে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা চুল পড়া প্রতিরোধে অনেক কার্যকারী।ডি এইচ টি নামের একটি হরমোন চুল পড়ার জন্য সরাসরি দায়ী। গ্রিন টি এই হরমোনটিকে বাধাগ্রস্ত করে।

ক্যাস্টর অয়েলঃ মাথার তালুতে ক্যাস্টর অয়েল লাগান চুল দ্রুত বৃদ্ধি পাবে। তবে ক্যাস্টর অয়েল অত্যন্ত ঘন ও চটচটে। ক্যাস্টর অয়েলের সঙ্গে অলিভ অয়েল বা নারিকেল তেল মিশিয়ে চলে ব্যবহার করুন।

জবাঃ জবা ফুলের পাপড়ি ও পাতার পেস্ট তৈরি করে মাথার তালুতে লাগান। এতে চুল দ্রুত বৃদ্ধি পাবে মজবুত ও ঘন হবে।

আমলকিঃ আমলকিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। আমলকি খাওয়ার পাশাপাশি আমলকি তেল ব্যবহার করলে মাথায় অনেক উপকার পাওয়া যায়। চুল পড়া প্রতিরোধে ও নতুন চুল গজানোর ক্ষেত্রে আমলকি অনেক সহায়ক ভূমিকা রাখে।

চুল পড়া বন্ধে করনীয়

চুল পড়া বন্ধ হওয়ার ঘরোয়া উপায় জানার পাশাপাশি চুল পড়া বন্ধে করণীয় জানলে চুল পড়া অনেকটা প্রতিরোধ করা যায়। চুল পড়া খুবই স্বাভাবিক একটা প্রক্রিয়া। বিভিন্ন কারণে চুল পড়ে থাকে। সেই কারণগুলো চিহ্নিত করতে পারলেই চুল পড়া অনেকটা প্রতিরোধ করা যায়। চলুন তাই আর দেরি না করে চুল পড়া বন্ধে করনীয় কি কি সেগুলো জেনে নেই।

  • চুল পড়ার কারণ খুঁজে বের করা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করা।
  • গোসলের আগে ও রাত্রে ঘুমানোর আগে অবশ্যই চুল ভালোভাবে আচড়ানো।
  • মাথার তালু সব সময় পরিষ্কার রাখা। মেডিকেটেড শ্যাম্পু দিয়ে সপ্তাহে দুই দিন মাথার তালু ও চুল পরিষ্কার করা।
  • সুষম খাদ্য গ্রহণ পর্যাপ্ত পানি পান এবং প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমানো।
  • নিয়মিত ব্যায়াম, শরীর চর্চা ও মানসিক চাপ মুক্ত থাকা
  • বয়সের সাথে সাথে চুলের রং পরিবর্তন হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কলপ বা কৃত্তিম রঙ যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা।
  • চুলের ধরন বুঝে শ্যাম্পু ব্যবহার করা।

চুল পড়া বন্ধ করার তেলের নাম

চুল পড়া বন্ধ করার জন্য আমরা বাজার থেকে বিভিন্ন ধরনের তেল নিয়ে এসে চুলে ব্যবহার করে থাকি। এইসব পণ্য আমাদের চুলের গোড়া থেকে কাজ করে মজবুত করতে সহায়তা করে। চুলের যত্নে প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহার হয়ে আসছে নারিকেল তেল। সেই সময় নারিকেলের দূর থেকে প্রাকৃতিক ঘরোয়া উপায়ে তৈরি করা হতো।
বর্তমানে বাজারে তিন ধরনের নারিকেল তেল পাওয়া যায় যেমন পরিশোধিত, ভার্জিন এবং এক্সট্রা ভার্জিন। চুল পড়া বন্ধ হওয়ার ঘরোয়া উপায় তো জেনেছেন তাহলে চলুন চুল পড়া বন্ধ করার তেলের নাম গুলো জেনে নেই।

অলিভ অয়েল

অলিভ অয়েল এ ওয়ালিক এসিড প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিড ও ভিটামিন ই রয়েছে যা চুলকে মসৃণ কোমলতা ও উজ্জ্বল করতে সহায়তা করে।

আমন্ড অয়েল

আমন্ড অয়েল বিভিন্ন ধরনের বাদাম ও প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি। এই তেল চটচটে ও আঠালো ভাব থাকে না থাকাই ব্যবহার করতে অনেক সুবিধা। এতে খুশকি প্রতিরোধে ও পুষ্টি যোগানোর উপাদান ভরপুর পরিমাণে থাকে।

ক্যাস্টর অয়েল

ক্যাস্টর অয়েল পাঠালো ও চ্যাট চ্যাট এ ভাব থাকায় এটি সরাসরি ব্যবহার করা যায় না। এটি আপনি অলিভ অয়েল বা নারকেল তেলের সাথে ব্যবহার করবেন।

অনিয়ন অয়েল

চুল পড়া বন্ধ হওয়ার ঘরোয়া উপায় এ অনেক কার্যকরী। পেঁয়াজের রস এবং বিভিন্ন ভিটামিন এর সংমিশ্রণে তৈরি এই চুলের তেল গোড়া থেকে মজবুত করে, ঝরে যাওয়া প্রতিরোধ করে এবং নতুন চুল গজাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।যাদের মাথায় টাক রয়েছে তারা ওনিয়ন অয়েল ব্যবহার করতে পারেন।

তিলের তেল

তিলের তেল টাক মাথায় নতুন চুল গজাতে সহায়তা করে। এতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ফ্যাটি এসিড পুষ্টিকর উপাদান ভিটামিন, কন্ডিশন করার মতন উপাদান ও খুশকি মুক্ত রাখার কার্যকারী। এটি চুলের সিল্কি সিল্কি ভাব ও ঝলমলে করে।

মাস্টার্ড অয়েল

সরিষার তেল থেকে পুষ্টিকর বিটা ক্যারোটিন , জিংক, সেলেনিয়াম এবং কার্যকারী উপাদান যা চুলকে করে ঝলমলে, ঘন, কালো ও স্বাস্থ্যজ্জল।

রোজমেরি অয়েল

জবা থেকে প্রস্তুতকৃত এই তেলও দারুন উপকারি। এই তেল চুলের রুক্ষতা শুকনোতা ও নীরবতা দূর করতে সহায়তা করে।

চুল পড়া বন্ধ করার শ্যাম্পু

চুল পড়া বন্ধ হওয়ার ঘরোয়া উপায় এ শ্যাম্পু অনেক কার্যকরী ভূমিকা রাখে। বর্তমানে বাজারে চুল বড় প্রতিরোধে বিভিন্ন ধরনের শ্যাম্পু রয়েছে। কিন্তু চুল পড়া বন্ধ করার জন্য সঠিক শ্যাম্পু নির্বাচন অনেক কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই আজকের এই আর্টিকেলে চুল পড়া বন্ধ করার সমস্যার সমাধান ও ভালো ফলাফলের জন্য এমন কিছু শ্যাম্পু নিয়ে আলোচনা করব যেগুলো আপনার জন্য অনেক কার্যকরী। তাই চলুন আর দেরি না করে জেনে নেই চুল পড়া বন্ধ করার শ্যাম্পু এর নাম গুলো।

  • হিমালয় হারবাল আন্টি হেয়ার ফল শ্যাম্পু
  • সানসিল্ক হেয়ার ফল সলিউশন শ্যাম্পু
  • ডাভ হেয়ার ফল শ্যাম্পু
  • লরিয়াল প্যারিস ফল রেসিস্ট 3× এন্টি হেয়ার ফল শ্যাম্পু
  • ক্লিয়ার আন্টি হেয়ার ফলশ্যাম্পু
  • প্যানটেন প্রো-ভি হেয়ার ফল কন্ট্রোল শ্যাম্পু

চুল পড়া বন্ধ করার ভিটামিন ই ক্যাপসুল

চুল পড়া বন্ধ করতে ভিটামিন ই অনেক উপকারী। চুল পড়া কমানো থেকে শুরু করে চুলকে ঝলমলে, কালো ও উজ্জ্বল করতে অনেক সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তাই ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পাশাপাশি এই ক্যাপসুল তুলে ব্যবহার করুন। এতে করে চুলের অনেক সমস্যা সমাধান খুব সহজেই করতে পারবেন।
ভিটামিন ই শুধুমাত্র চুল পড়া বন্ধ করেনা। এটি চুলের গোড়াও মজবুত করে। ভিটামিন ই আপনি সরাসরি চুলে অথবা মাথার তাকে ব্যবহার করতে পারবেন। তবে যদি কেউ চাই প্যাক বানিয়ে ব্যবহার করবে সেটাও কর করতে পারেন অনেক উপকারী। ভালো ফলাফল এর জন্য অ্যালোভেরা জেল, গোলাপ জল এবং ভিটামিন ই ক্যাপসুল এর প্যাক বানিয়ে চুলের যত্নে ব্যবহার করতে পারেন।

ভিটামিন ই চুলের আগা ফাটা রোধ করে এবং চুলকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও ভিটামিন ই চুলের গোড়ায় রক্ত প্রবাহ বাড়াতে পারে, যা চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে ও দ্রুত বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে। সুতরাং আমরা বলতে পারি চুল পড়া বন্ধ হওয়ার ঘরোয়া উপায় এর পাশাপাশি ভিটামিন ই ক্যাপসুল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শেষ কথা

প্রিয় পাঠক, আশা করছি আমাদের এই আর্টিকেলটি পড়ার মাধ্যমে আপনি চুল পড়া বন্ধ হওয়ার ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। আমাদের এই আর্টিকেলটি পড়ে বুঝতে কোথাও কোন সমস্যা হলে আর্টিকেলটি পুনরায় মনোযোগে সহিত পড়ুন। চুল পড়া বন্ধ হওয়ার ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে কোন প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট বক্সে জানাবেন।
যদি আমাদের এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনি আপনার বন্ধু বান্ধব কাছের মানুষ পাড়া-প্রতিবেশীদের সাথে শেয়ার করুন, ধন্যবাদ।




এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

চাঁপাই আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url